Responsive Ad Slot

Showing posts with label upwork. Show all posts
Showing posts with label upwork. Show all posts

Robi 10 MS Cartoon Animation Full Course

No comments

Tuesday, 3 December 2024

 


কোর্স সম্পর্কে

আপনি যখন একটি অ্যানিমে দেখেন তখন কি আপনি এর চরিত্র এবং অ্যানিমেশন মুগ্ধ হয়ে দেখেন? আপনার কি কখনো জানতে ইচ্ছা হয়েছে কীভাবে এই ধরনের অ্যানিমেশন তৈরি করা হয়? আপনি কি ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যানিমেশন বেছে নিতে চান অথবা আপনার স্কিলসেট বাড়ানোর জন্য অ্যানিমেশন শিখতে চান? এর একটিও যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্যই।


Cartoon Animation

Want new cartoon drawing ideas? Enroll in Cartoon Animation Online class with 10 tutorial videos, quiz and notes.

কোর্স সম্পর্কে

আপনি যখন একটি অ্যানিমে দেখেন তখন কি আপনি এর চরিত্র এবং অ্যানিমেশন মুগ্ধ হয়ে দেখেন? আপনার কি কখনো জানতে ইচ্ছা হয়েছে কীভাবে এই ধরনের অ্যানিমেশন তৈরি করা হয়? আপনি কি ক্যারিয়ার হিসেবে অ্যানিমেশন বেছে নিতে চান অথবা আপনার স্কিলসেট বাড়ানোর জন্য অ্যানিমেশন শিখতে চান? এর একটিও যদি আপনার সাথে মিলে যায়, তাহলে এই কোর্সটি আপনার জন্যই! 

আমাদের দেশে কেউ যদি অ্যানিমেশন শিখতে চায় এবং শিখতে শুরু করার কথা চিন্তা করে তাহলে তার জন্য একটা বাঁধার সৃষ্টি হয় কারণ এই বিষয়ে যত রিসোর্স পাওয়া যায় সবই ইংরেজিতে। এটি শেষ পর্যন্ত তাদের অনেককেই এই অসাধারণ স্কিলটি শেখা থেকে পিছিয়ে নিয়ে আসে। তাই সব নতুন অ্যানিমেটর এবং কার্টুনিস্টকে খুব সহজেই অ্যানিমেশন শেখায় সাহায্য করতে, টেন মিনিট স্কুল “Cartoon Animation” কোর্সটি ডিজাইন করেছে, যেখানে এই বিষয়ে সব খুঁটিনাটি শেখাবেন আমাদের সকলের প্রিয় অন্তিক মাহমুদ নিজেই!

এই কোর্সে আপনি অ্যানিমেশন শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় সবকিছুই শিখতে পারবেন। অ্যানিমেশন- এর জন্য প্রয়োজনীয় সফটওয়্যার এবং হার্ডওয়্যার থেকে শুরু করে, সাউন্ড ডিজাইন কিভাবে করা যায়, Adobe Animate এবং অন্যান্য টুলস ব্যবহার করার স্কিলস ও কৌশল এবং অ্যানিমেশন- এর খুঁটিনাটি সবই শেখানো হবে এই কোর্সে।

অন্তিক মাহমুদ তার অ্যানিমেশন স্কিল- এর জন্য বিখ্যাত এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটর, তিনি আপনার প্রতিভাকে বিকাশে সাহায্য করতে এই যাত্রায় আপনাকে গাইড করবেন।

আপনি যদি অ্যানিমেশন- এ আপনার ক্যারিয়ার গড়তে চান এবং আপনার সৃজনশীল প্রতিভাকে বিকশিত করতে চান তবে এখনই Enroll করুন কোর্সে!

কোর্সটি কাদের জন্য?

  • > আর্টিস্টিক শিক্ষার্থী যারা কার্টুন চরিত্র ডিজিটালি আঁকা শিখতে চায়।
  • > যারা অ্যানিমেশন শিখতে চায়।
  • > যারা একজন অ্যানিমেটর বা কার্টুনিস্ট হিসেবে তাদের ক্যারিয়ার গড়তে চায়।
  • > যারা অ্যানিমেটেড সিন- এর পেছনের কাজ কীভাবে হয় তা জানতে চায়।

কোর্সটি থেকে আপনি কী কী শিখবেন?

  • > অ্যানিমেশন- এর বেসিক, গ্রামার এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়।
  • > কীভাবে Adobe Animate ব্যবহার করে অ্যানিমেশন তৈরি করবেন।
  • > ব্লকিং, টাইমিং এবং স্পেসিং সম্পর্কে শেখানো হবে।
  • > Audacity Video ব্যবহার করে বেসিক সাউন্ড ডিজাইনিং শিখতে পারবেন।

এই কোর্সের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

  • > কোর্সটি এমনভাবে ডিজাইন করা হয়েছে যেন তা আমাদের দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে কঠিন না মনে হয়।
  • > কোর্সটি শিক্ষার্থীদের অ্যানিমেশন শেখার যাত্রাকে সহজ করে তোলার জন্য পর্যাপ্ত গাইডলাইন এবং রিসোর্স দিয়ে ডিজাইন করা হয়েছে।
  • > অন্তিক মাহমুদ, অ্যানিমেটর এবং কন্টেন্ট ক্রিয়েটর এই কোর্সের আসল আকর্ষণ, যিনি আপনাকে তার সেন্স অফ হিউমার দিয়ে খুবই সহজভাবে অ্যানিমেশন- এর সব খুঁটিনাটি শেখাবেন।

প্রিভিউ কন্টেন্টঃ 

  • Class 01: Intro
  • Class 02: Hardwares and Softwares
  • Class 03: Software Installation & Audio Editing
  • Class 04: Intro to Animate CC
  • Class 05: Timeline and Library
  • Class 06: Basics of Animation
  • Class 07: Symbols
  • Class 08: Exporting Video
  • Class 09: Lipsync
  • Class 10: Outro
  • Class 11: How to color?
  • Class 12: What not to Do?
  • Class 13: How I Make Videos?
  • Class 14: How I Upload?
  • Class 15: Freelancing
  • Class 16: Animation Breakdown


  • স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ুন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনে

    No comments

    Sunday, 12 April 2020

    খুব সহজে ফ্রিল্যান্সার হতে চান? যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। অন্য সব পেশা থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ, ঝামেলাবিহীন ও স্বাধীনতা পূর্ণ।অন্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটি একটি সম্মানজনক পেশাও ।

    গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

    গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি প্রসেস যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি মানুষের কাছে বাস্তবরূপে উপস্থাপন করা যায়। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারই পারেন তার কাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারির উপর প্রভাব ফেলতে এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পোঁছে দিতে।

    ডিজাইনার হয়ে লাখ টাকা ইনকাম করুন

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

    কি জানা লাগবেঃ

    গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো করতে পারবেন। কারণ,ইংরেজি হল ইন্টারন্যাশনাল ভাষা এই ভাষার মাধ্যমে যে কোন দেশের যে কোন বর্নের মানুষের সাথে আপনি কমোনিকেট করতে পারবেন। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। আমরা যেহেতু অনলাইনে কাজ করবো, সেহেতু ইন্টারনেট থাক্তেই হবে।ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর, এডোবি ইন ডিজাইন প্রভৃতি।

     বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকামের সেরা ১০ উপায়

    >>এই ৭টি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে

    কিভাবে শিখবেনঃ

    * ভালো প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেয়া।
    * প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারের অধীনে কাজ করা।
    * অন্যের কাজ অনুসরণ করা।
    * অনলাইনে সার্চ করা।
    * মানসম্মত টিউটোরিয়াল দেখা।
    * ভাল সফটওয়্যার দিয়ে ডিজাইন শিখা।

    গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ

    যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই সব সময় ডিজাইনারকে কাজ
    করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে।যেহেতু গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের
    ক্ষেত্র বিস্তৃত। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হলঃ
    ১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন
    ৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকোন ডিজাইন
    ১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক
    কাজ পাওয়া যায়।

     অনলাইনে লাখ টাকা ইনকামের ১০ টি উপায়-০১

     অনলাইনে লাখ টাকা ইনকামের ১৪ টি উপায়-০২

    লোগো ডিজাইনঃ

    লোগো হচ্ছে একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ড। লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড
    অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন কিংবা প্রাণ শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই
    চিনতে পারা যায়। মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকেই তৈরি করতে হয়।লোগো যেমন লোকাল
    বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনেও বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।

    ওয়েব ডিজাইনঃ

    এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে অনলাইন বিপ্লবের এই যুগে ওয়েবসাইটের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠন এমনকি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটও অনেকে তৈরি করতে চান। আর ব্যবসার প্রসারে ওয়েবসাইট অতি প্রয়োজনীয় একটি হাতিয়ার। ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুদৃশ্য বাটন তৈরি, ব্যানার তৈরি, ইমেজ এডিটিং, আইকন তৈরি প্রভৃতি কাজ করা ছাড়াও একজন গ্রাফিক ডিজাইনার পিএসডি টেম্পলেটের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ওয়েব সাইটের আর্কিটেকচার তৈরি করতে পারেন।

    ভিজিটিং কার্ড তৈরিঃ

    ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক্স ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেইল করে আয় করতে পারবেন।
    এর বাইরেও ব্রশিয়র ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন সহ রয়েছে আরও অনেক ক্ষেত্র। শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার।

    গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান?? 

    গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গুরুত্তপূর্ন টিপস

    কোথায় জব পাবেনঃ

    – বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
    – পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
    – অনলাইন মার্কেট প্লেইস
    – প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
    – ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

    গ্রাফিক্স সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ

    গ্রাফিক্স প্রতিযোগীতাঃ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখ যোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
    www.99designs.com
    www.freelancer.com/contest
    https://www.logodesignguru.com/
    https://www.48hourslogo.com/
    http://www.hatchwise.com/
    https://logotournament.com/
    https://www.logomyway.com/
    https://www.crowdspring.com/

    >>অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

    ডিজাইন বিক্রিঃ

    আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
    www.graphicriver.net
    www.creativemarket.com
    www.codegrape.com
    www.designcrowd.com
    www.freelancer.com/marketplace

    বিড করে কাজ :

    আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
    www.upwork.com
    www.freelancer.com
    www.peopleperhour.com
    www.guru.com

    অন্যান্যঃ

    উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
    হচ্ছেঃ www.fiverr.com

    যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ

    -> অবশ্যাই ভালভাবে কাজ শেখা।
    -> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
    -> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
    -> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
    -> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/ পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
    -> প্রতিদিন ডিজাইন করা
    -> নিজের মার্কেটিং করা

    কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেনঃ

    গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনি তিনটি মাধ্যমে শিখতে পারেন। ইন্টারনেটে টিউটরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভাল কোন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাছ থেকে অথবা ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিতে পারেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষন অনেক বেশি ইফেক্টিভ,কারন সেখানে কাজ শেখানোর পাশাপাশি কাজ কি আসলেই শিখতেছে কি না তাও দেখা হয়, অবশ্যই তা যদি ভালো ও নির্ভরযোগ্য প্রতিস্থান হয়ে থাকে।

    একজন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার কেমন আয় করেন?

    আয়ের বিষয়টি সম্পুর্ণ নির্ভর করে স্কিল এবং অভিজ্ঞতার উপর, একজন নতুন গ্রাফিক ডিজাইনার যেমন আয় করে একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার
    চেয়ে কয়েকগুন বেশি আয় করে। সাধারণত একজন নতুন (৬মাস-১বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন) ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি ঘন্টায়
    ১০/২০ ডলার রেটে কাজ করেন এবং মাসে এভারেজ ২০,০০০-৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারেন। একজন কয়েক বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিজাইনার প্রতি
    ঘন্টায় ২০/৬০ ডলার বা তার চাইতে বেশি টাকা আয় করতে পারেন মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন, বাংলাদেশে অনেক ডিজাইনার রয়েছেন যারা প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেন।
    যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।

    আরো জানতে পড়ুন... এখানে

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

    No comments

    Saturday, 11 April 2020


    SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়।
    সার্চ ইঞ্জিন কি সেতা মোটামুটি অনলাইন জগতের সবাই জানে, কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং(bing) ইত্যাদি।এইগুলার নাম শুনে মোটামুটি কিছু হলে বুঝছেন।


    তাহলে এখন আসি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

    ওয়েবসাইট তৈরি হয় মূলত কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। এখন যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে। সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০-৮৫% ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে। বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    ১। যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে। প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয়। United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০-১৫ বিলিয়ন সার্চ হয়।
    ২। অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে। তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।

    ৩। বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।

    ৪। যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।

    এই কাজ করতে যে বিষয় জানা দরকার টা সংক্ষেপে বলছি-

    প্রথমেই দরকার ওয়েব সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা
    ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন HTML এ
    কীওয়ার্ড রিসার্চ জানা অত্যাবশ্যক
    কনটেন্ট লেখায় হতে হবে পারদর্শী
    জানতে হবে সঠিক অন-পেজ অপটিমাইজেশন
    এক্সপার্ট হতে হবে অফ-পেজ অপটিমাইজেশনে ও
    এন্যালাইসিস, ট্র্যাকিং, বাজেট প্ল্যানিং এর দক্ষতাও থাকা প্রয়োজন।

    এখন বলবেন এত কথা বললেন কিন্তু আয় করার কথা বললেন না। হ্যাঁ, তাইলে শুনুন...
    ১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (upwork, freelancer ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।
    ২) নিজের একটি ব্লগ সাইট খুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।
    ৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।
    ৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।
    ৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।
    ৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।
    তবে হ্যাঁ সব শেষে একটা কথাই বলতে হয়, যেকোন কাজ করতে হলে সেই বিষয়ে পরিপূর্ন জানা। অল্প বিদ্যা যেমন ভয়ঙ্কর ঠিক তেমনি অল্প এসইও জেনে নিজেকে এক্সপার্ট দাবী করাও বিপদজনক। এসইও এক্সপার্ট কয়েকদিনে হওয়া সম্ভব নয়।

    এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আমার ব্লগে আলোচনা করব তাই পরবর্তী টিউন পেতে চোখ রাখুন আমার ব্লগে। আপনার প্রতি শুভ কামনা রেখে শেষ করছি আজকের টিউন।

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০১]  

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৫]- ফরেক্স মার্কেটিং

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

    গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন করবেন

    No comments
    ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান?তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।

    গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

    আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে গ্রাফিক্স ডিজাইন আসলে কি! আচ্ছা তার আগে আমাকে বলুন এমন কিছু কি আছে যাতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নেই?! সব কিছুতে ডিজাইন আছে, পৃথিবী-পৃথিবীর বাইরে সব কিছুতেই একটা ডিজাইন আছে। তা প্রাকৃতিকভাবে হোক বা কৃতিমভাবে। আপনি হয়ত তা দেখার চেষ্টা করছেন না বা খেয়াল করছেন না। একটু খুজে দেখুন কোন জিনিসটায় ডিজাইন নেই!

    এবার আসুন সংজ্ঞায় দেয়ার চেষ্টা করি…নিজের মত করে সংজ্ঞা দিচ্ছি, আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের সংজ্ঞা এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়..তারপরও চেষ্টা করছি..

    ” যা কিছু ডিজাইনড সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন ”

    ”একটি ক্রিয়েটিভ প্রসেস যা আর্ট এবং টেকনোলজী এর সমন্বয়ে আইডিয়াগুলো প্রকাশ করে তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে” (আমি আর্ট ও টেকনোলজী …আমার নিজের থেকেও বেশি পছন্দ করি)

    বিখ্যাত ডিজাইনার Neville Brody এর মতে”ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…আমি বাংলায় হয়তো ঠিক ভাবটা প্রকাশ করতে পারিনি তবে তিনি এই সংজ্ঞায় অনেক কিছু বোঝাতে চেষ্টা করেছেন)
    উপরের সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষন করলে যা পাই তা হল… গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনার মনের ভাব, কিছু প্রয়োজন, তথ্য ও কালারের সমন্বয়ে আর্ট ও টেকনোলজীর সাহায্যে উপস্থাপন করতে পারবেন।

    উপরের সংজ্ঞাগুলোয় আসলে টেকনিক্যাল দিকগুলো ফুটে ওঠে যা হয়তো কারো কারো কাছে বুঝতে কঠিন হতে পার…

    আরওএকটু সহজ করে দিই..Nothing is better than example… 

    আপনি হয়তো লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ইন্টেরিওর-এক্সটেরিওর ডিজাইনের কথা শুনে থাকবেন

    একটা লোগোতে একটা কোম্পানীর বিষয়বস্তু/নাম/বর্ননা/কাজ ইত্যাদি ডিজাইনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়একটা বিজনেস কার্ডে ডিজাইনের মাধ্যমে একজন বিজনেসম্যান এর বিভিন্ন তথ্যগুলো দেওয়া হয়একটা ইন্টেরিওর বা এক্সটেরিওর ডিজাইনে একটা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন করা হয়

    এরকম উদাহরন আরও দেয়া যায়..আস্তে আস্তে পাবেন  এগুলো সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন।


    গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?

    আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন

    গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেনএকজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।

    গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন?

    গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সংজ্ঞাই যেহেতু মৌলিকভাবে দেয়া যাচ্ছে না অর্থাত নির্দিষ্ট করে দেয়া যাচ্ছে না, আপনার এ প্রশ্নের উত্তরও নির্দিষ্ট করে দিতে হিমশিম খেতে হয়!

    উপরের কথাগুলো বিশ্লেষন করলেই আপনি হয়ত আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আবারও বলছি আপনার আশেপাশের বস্তুগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন দেখুন তাতে একটি ডিজাইন আছে এবং তা একটি অর্থও প্রকাশ করছে এবং তার একটি প্রয়োজনও আছে।মূলত এ বিষয়গুলোর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইন।

    সৃষ্টির শুরু থেকেই সবকিছুতে ডিজাইন ছিল..ডিজাইন হচ্ছে.. ডিজাইন হবে

    মানুষের হাতে ডিজাইন করা শুরু হয় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ বছর আগে থেকে। তবে নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন গুহায় যে প্রমান পাওয়া যায় তাতে বলতে হয় এর শুরু অনেক আগে থেকেই। আর এটা শুরু হইছে মানুষের প্রয়োজনেই। খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ বছর আগের একটি নিদর্শন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে যেটিই মানুষের হাতে সবচেয়ে আগের জটিল ডিজাইন বলে ধারনা করা হয়(পিকচার দিতে পারছি না বলে দু:খিত…আমার কাছে এর একটি পিকচার আছে )

    সেখান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অনেক বছর চলে গেছে। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন আর সেদিনের কথা একবার চিন্তা করুন অনেক কিছু ডিজাইন করা হইছে..অনেক নতুনত্বের সৃষ্টি হইছে…সুন্দর থেকে সুন্দরতর! সবই মানুষের প্রয়োজনে। আগে করা হত মাটিতে, পাতায়, খাতায় আর এখন করা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আরও সুন্দর করে  

    এত বকবক করার মূল কারন হল..শুধু এটুকই বলতে চাই গ্রাফিক্স ডিজাইন/ডিজাইন মূলত মানুষের প্রয়োজনেই তা মনের খোরাক মেটানোর জন্য হোক বা পেশা হোক বা ব্যবসায়িক কারন হোক মূলত মানুষের প্রয়োজনেই ডিজাইন।

    ►একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-▼

    → ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।

    → প্রমোশনাল ডিসপ্লে:সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

    → জার্নাল:বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।

    → কর্পোরেট রিপোর্টস:এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।

    → মার্কেটিং ব্রোশিউর:এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।
    → সংবাদপত্র:গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।

    → ম্যাগাজিন:এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।

    → লোগো ডিজাইন:একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

    → ওয়েবসাইট ডিজাইন:সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।



    গ্রাফিক্স ডিজাইন কিভাবে শুরু করবেন?

    গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা বেশ সহজ,আপনি আপনার পরিচিত কারো সাহায্য বা কোন ট্রেনিং সেন্টার (IT PAL ORGANIZATION) কয়েকমাসেই চেষ্টা করলেই শেখা  সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০১]  

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৫]- ফরেক্স মার্কেটিং

    অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন



    Don't Miss
    © all rights reserved.
    Made with by Science Tech BD