Responsive Ad Slot

Showing posts with label চিকিৎসা বিজ্ঞান. Show all posts
Showing posts with label চিকিৎসা বিজ্ঞান. Show all posts

অবশেষে তৈরি হলো কৃত্রিম চোখ

No comments

Tuesday, 2 July 2019


চোখ মানব জীবনের এক অমূল্য সম্পদ,স্রষ্টার এক আশ্চর্য নেয়ামত। শুধুমাত্র এই চক্ষুজোড় ছাড়া সৃষ্টির অপার রহস্য কোনভাবেই উপভোগ করা সম্ভব নয়। মৃত্যুর ন্যায় অন্ধকার এই দৃষ্টিহীন জীবন। অথচ দেখা যায়, অল্প থেকে মাঝবয়সী অধিকাংশেরই বর্তমান সময়ে বিভিন্ন কারণে দৃষ্টিশক্তি কমে যায় কিংবা একেবারেই নষ্ট হয়ে যায়। বয়স্কদের ক্ষেত্রে এ সমস্যা আরও প্রকট।

তাই চোখে নানান সমস্যার কারণে লাইট সেনসিটিভ রিসেপ্টর (light sensitive riceptor) ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে অনেকসময় পুরোপুরি অন্ধ হওয়ার আশঙ্কা থাকে? না,এখন আর এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছুই নেই। মানব সভ্যতার কল্যাণে বিজ্ঞান যে নিয়ে এলো এক কল্পনাতীত আবিষ্কার।

গত কিছুদিন যাবৎ,কৃত্রিম হৃদপিণ্ডের কথা খুব বেশি শোনা যাচ্ছিল। বিজ্ঞানীরা এতে এখনও পুরোপুরি সফল হতে না পারলেও মানুষের দৃষ্টিশক্তি সংরক্ষণে সফলভাবে আবিষ্কার করেছে বায়োনিক চোখ। ভাবতেই অবাক লাগছে,কৃত্রিম একটি যন্ত্র কিভাবে চোখের ভূমিকা রাখবে, কিভাবেই বা অন্ধকে তার দৃষ্টিশক্তি ফিরিয়ে দিবে?কিছুদিন পর হয়ত এই কৃত্রিম চোখই হবে মানুষের নিত্যনৈমিত্তিক সঙ্গী। যাহোক এখন আমরা এই কৃত্রিম চোখ সম্পর্কে একটু জেনে নিই।

আমেরিকার University of LOSS Angles এর বায়ো-প্রকৌশল (Bioengineering) বিভাগের একজন স্বনামধন্য প্রফেসর ওয়েনটাই লিউ (Wentai Liu) বিভিন্ন রোগের কারণে যাদের চোখের রেটিনার light sensitive রিসেপ্টর ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পুরোপুরি অন্ধ হয়ে গেছেন তাদের জন্য এই গবেষকের নেতৃত্বে একটি টিম কাজ করে চলেছে। গত দুই দশক ধরে গবেষণা করে সম্প্রতি তিনি আবিষ্কার করেছেন এই বায়োনিক চোখ। এর অফিসিয়াল নাম Argus II Retinal Prosthesis System,
এই বায়োনিক চোখের জন্য রোগীর চোখে বসানো হয় মাইক্রো চিপ ও ওয়্যারলেস এন্টেনা সংবলিত সার্কিট যা চোখের অপটিক্যাল নার্ভ কে সিগন্যাল অনুসারে ইলেকট্রিকাল impulse পাঠায়। আর বাহিরের একটা চশমাতে বসানো ক্যামেরা ও ওয়্যারলেস এন্টেনা (wireless antenna)এর সাহায্যে মস্তিষ্কে সিগন্যাল পাঠানো হয়।

বর্তমানে এটি ৬০টি মাইক্রোচিপ এর সাহায্যে ৬০ পিক্সেল নিয়ে কাজ করতে পারে। তবে এই রিসার্চ টিম ২৫৬ ও ১০২৬ পিক্সেল নিয়ে ইতিমধ্যে কাজ করে যাচ্ছে। তারা ৭০ বছর বয়সের একজন অন্ধ মানুষের উপর এটি পরীক্ষা করেছেন যিনি ২০ বছর বয়সে দৃষ্টি হারান। যদিও এর রেসোলিউশন (resolution)আসল চোখের রেসোলিউশন (resolution) এর তুলনায় কম,তা সত্ত্বেও অল্প খরচে মোটামুটি দীর্ঘস্থায়ী একটি সমাধান সম্ভব বিধায় যারা অন্ধ তাদের জন্য এটি এক বিশাল পাওয়া।

Don't Miss
© all rights reserved.
Made with by Science Tech BD