Responsive Ad Slot

Showing posts with label এসইও. Show all posts
Showing posts with label এসইও. Show all posts

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

No comments

Saturday, 11 April 2020


SEO মানে ‍Search Engine Optimization। বর্তমান বিশ্বের বেশিরভাগ মানুষ তার প্রয়োজনীয় তথ্য খুজে পেতে গুগলে সার্চ করে। গুগল তখন তার সার্চ রেজাল্ট পেজে অনেকগুলো সাইটের ফলাফল প্রদর্শন করে। কোনটি প্রথমে কোন ওয়েবসাইটের নাম হয়ত প্রদর্শন করে ২নং পেজে। যেটি প্রথমে দেখা যাচ্ছে সেটি প্রথমে দেখাচ্ছে কারন সেটিকে এসইও করা হয়েছে। কোন ওয়েবসাইটকে সার্চের প্রথমে প্রদর্শন করার জন্য যে প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়, সেটিকে এসইও বলে। যখন আপনার ওয়েবসাইট সার্চের প্রথমে থাকবে তখন ওয়েবসাইটের ভিজিটর বৃদ্ধি পায়। আর ভিজিটর বৃদ্ধি হলে ইনকামও বৃদ্ধি পায়।
সার্চ ইঞ্জিন কি সেতা মোটামুটি অনলাইন জগতের সবাই জানে, কয়েকটি সার্চ ইঞ্জিনের নাম হলোঃ গুগল (google), ইয়াহু (yahoo),বিং(bing) ইত্যাদি।এইগুলার নাম শুনে মোটামুটি কিছু হলে বুঝছেন।


তাহলে এখন আসি সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং ক্ষেত্রে কেন এত গুরুত্বপূর্ণ

ওয়েবসাইট তৈরি হয় মূলত কোম্পানীর পণ্যের প্রসারের জন্য। এখন যতবেশি মানুষ আপনার ওয়েবসাইটে ভিজিট করবে, ততমানুষ আপনার পণ্য সম্পর্কে কিংবা সার্ভিস সম্পর্কে ধারণা পাবে। সার্চ ইঞ্জিন কোন একটি ওয়েভ সাইটে ভিজিটরের প্রধান উৎস। শতকরা ৮০-৮৫% ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিন মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটে। বিভিন্ন কারণে সার্চ ইঞ্জিন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
১। যেকোন ওয়েবসাইটের বেশীর ভাগ ভিজিটর সার্চ ইঞ্জিনে থেকে আসে। প্রতি মাসে প্রায় বিলিয়ন বিলিয়ন সার্চ হয়। United States এ এক জরিপে দেখা গেছে প্রতি মাসে কমপক্ষে ১০-১৫ বিলিয়ন সার্চ হয়।
২। অনেকে জানেনা তাদের প্রয়োজনীয় কোন তথ্য কোথায় পাওয়া যাবে।সে জন্য তারা সার্চ ইঞ্জিনগুলোতে সে বিষয় লিখে সার্চ করে। তখন প্রয়োজনীয় সাইটের লিস্ট তাদের কাছে চলে আসে।

৩। বিনামুল্যে যেকোন তথ্য খুজে পাওয়া যায়, সেজন্য সবাই এটি ব্যবহার করে।

৪। যেহেতু তথ্য খুজে পেতে সবাই সার্চইঞ্জিনের সাহায্য নিয়ে থাকে, সেজন্য সকল কোম্পানী তাদের পণ্যের প্রচারের জন্য বিভিন্ন অভিনব পদ্ধতি ছেড়ে দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চের প্রথমে তাদের কোম্পানীর ওয়েবসাইটকে রাখতে চায়।

এই কাজ করতে যে বিষয় জানা দরকার টা সংক্ষেপে বলছি-

প্রথমেই দরকার ওয়েব সম্পর্কে সম্পূর্ণ ধারণা
ভালো ধারণা থাকা প্রয়োজন HTML এ
কীওয়ার্ড রিসার্চ জানা অত্যাবশ্যক
কনটেন্ট লেখায় হতে হবে পারদর্শী
জানতে হবে সঠিক অন-পেজ অপটিমাইজেশন
এক্সপার্ট হতে হবে অফ-পেজ অপটিমাইজেশনে ও
এন্যালাইসিস, ট্র্যাকিং, বাজেট প্ল্যানিং এর দক্ষতাও থাকা প্রয়োজন।

এখন বলবেন এত কথা বললেন কিন্তু আয় করার কথা বললেন না। হ্যাঁ, তাইলে শুনুন...
১)বিভিন্ন মার্কেটপ্লেসগুলোতে (upwork, freelancer ইত্যাদি)ভিজিট করলে দেখা যায়, এসইওর কাজ সবচাইতে বেশি।
২) নিজের একটি ব্লগ সাইট খুলে সেটিকে এসইও করে গুগলের প্রথমদিকে আনতে পারলে যদি ভিজিটর বৃদ্ধি পায় তাহলে অ্যাডসেন্স কিংবা এ ধরনের আরও অনেক বিজ্ঞাপনী সার্ভিসের মাধ্যমে ভাল আয় করা যায়। এপদ্ধতিতে সাধারণত মাসে ১০০ ডলার থেকে ১০০০ডলারের মত আয় করা যায়।
৩) অ্যাফিলিয়েশন্সের আয়ের জন্য প্রধান শর্ত হচ্ছে আপনার ওয়েবসাইটের প্রচুর পরিমানে টার্গেটেড ভিজিটর। আর ভিজিটর আনতে হলে এসইও করতেই হবে। আউটসোর্সিংয়ের এ কাজের মাধ্যমে মাসে আয় করা যায় সাধারণত ৩০০ -২০০০ ডলার।
৪) এসইওর মাধ্যমে আপনার ওয়েবসাইট গুগলের প্রথমে আনতে পারলে এবং ভিজিটর প্রচুর পরিমানে ওয়েবসাইটে আসলে বিভিন্ন লোকাল কোম্পানীর বিজ্ঞাপন আপনার ওয়েভসাইটে ব্যবহার করে মাসে ৩০০০০ টাকা থেকে ৫লাখ টাকাও আয় করতে পারবেন। যেমন টেকটিউনসে কোন প্রকার অ্যাডসেন্স ব্যবহার করা হয়না। এখানের আয় সম্পূর্ণ লোকাল বিজ্ঞাপন।
৫) এসইও শিখার আরও গুরুত্বপূর্ণ দিক হচ্ছে, এসইও কোর্স একটি কিন্তু আয় করা সেক্টর অনেকগুলো। যেমনঃ ফোরাম টিউনিং কিংবা ব্লগ টিউমেন্টিং কিংবা কিংবা সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং কেংবা পুরো এসইও করে আয় করা যায়।
৬) প্রতিদিন মাত্র ২-৩ ঘন্টা সময় দিয়ে এসইও করা যায়। সেজন্য অন্য চাকুরী পাশাপাশি এটি শিখে আয় করা সম্ভব।
তবে হ্যাঁ সব শেষে একটা কথাই বলতে হয়, যেকোন কাজ করতে হলে সেই বিষয়ে পরিপূর্ন জানা। অল্প বিদ্যা যেমন ভয়ঙ্কর ঠিক তেমনি অল্প এসইও জেনে নিজেকে এক্সপার্ট দাবী করাও বিপদজনক। এসইও এক্সপার্ট কয়েকদিনে হওয়া সম্ভব নয়।

এই বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আমার ব্লগে আলোচনা করব তাই পরবর্তী টিউন পেতে চোখ রাখুন আমার ব্লগে। আপনার প্রতি শুভ কামনা রেখে শেষ করছি আজকের টিউন।

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০১]  

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৫]- ফরেক্স মার্কেটিং

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

এস ই ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর যত অজানা তথ্য

No comments

Friday, 10 April 2020

আলোচনার বিষয় হলো "এস ই ও" অর্থাৎ সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন। মূল আলোচনায় প্রবেশ করার আগে আপনাকে কিছু কথা বলি শোনেন। আগে পুরো টিউন পড়বেন এর পরে প্রশ্ন থাকলে সেটা টিউমেন্ট প্রকাশ করবেন ঠিক আছে? যদি না বোঝেন তাহলে আমি বুঝিয়ে দেবো ইনশাহ আল্লাহ্‌।
শুরু করি তাহলে।
https://sciencetecbd.blogspot.com/search/label/%E0%A6%86%E0%A6%89%E0%A6%9F%E0%A6%B8%E0%A7%8B%E0%A6%B0%E0%A7%8D%E0%A6%B8%E0%A6%BF%E0%A6%82

এস ই ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?
আমরা সবাই সার্চ ইন্জিন এর সাথে মোটামুটি পরিচিত। যেমনঃ Google, Yahoo, Ask ইত্যাদি হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন। এর মধ্যে গুগল সবচেয়ে জনপ্রিয় সার্চ ইঞ্জিন। এখানে আপনি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করলে সে অনুযায়ী সবচেয়ে ভাল তথ্যবহুল যে সাইট টি আছে আপনাকে সেটা দেখাবে। যেখানে ভিজিট করলে আপনি আপনার কাঙ্খিত তথ্য গুলো পাবেন। এভাবে আপনি আপনার সাইটটি যেভাবে গুগলের টপে নিয়ে আসবেন এটাই এস ই ও এর কাজ। অর্থাৎ গুগল বা যে কোন সার্চ ইন্জিন এ আপনি যেভাবে করে নিজের সাইটকে সবার উপরে প্রথম পেজ এ আনবেন এই কাজটাকেই এসইও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন।
সার্চ ইঞ্জিন কি ভাবে কাজ করে?
সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব Software এর মাধ্যমে কাজ করে থাকে। Software টির নাম ক্রাউলার।
সার্চ ইঞ্জিন তার স্বয়ংক্রিয় ক্রউলার বিভিন্ন ওয়েব সাইট বা ব্লগে পাঠায়,
ক্রউলার অনলাইনে ওয়েব সাইট বা ব্লগ থেকে প্রয়োজনীয় ডাটা সংগ্রহ করে, নিজস্ব ডাটা বেজে বা ডাটা সেন্টারে জমা রাখে।

সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP কি?
সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ বা SERP (Search Engine Results Page) হচ্ছে যখন কোন ব্যবহারকারী সার্চ ইঞ্জিনে এসে কোন তথ্য সর্ম্পকে অনুসন্ধান করে, তখন সার্চ ইঞ্জিন তার নিজস্ব ডাটা বেজ থেকে ব্যবহারকারীকে তার তথ্য অনুসন্ধান সর্ম্পকিত যে ওয়েব লিংক সমূহ দিয়ে থাকে বা যে রেজাল্ট প্রদর্শন করে তাই SERP (Search Engine Results Page) বা সার্চ ইঞ্জিন রেজাল্ট পেজ।

এস ই ও এর প্রকার ভেদ-
০১। অরগানিক এস ই ও বা ফ্রি এস ই
(এটা একটা ফ্রি পদ্ধতি। এইটার জন্য সার্চ ইঞ্জিকে কোনো টাকা দিতে হয় না)
০২। পেইড এস ই ও
(সার্চ ইঞ্জিনকে টাকা দিয়ে সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে আসতে হয়। যতদিন টাকা দেয়া হবে ততো দিন
সার্চ ইঞ্জিনের সার্চে থাকবে আপনার ওয়েব সাইট বা ব্লগ)
সার্চ ইঞ্জিনের নিয়ম অনুসারে এস ই ও প্রকার দুইটি
হোয়াইট হ্যাট এস ই ওঃ(বৈধ পদ্ধতি যা সার্চ ইঞ্জিনের কাজের কিছু নিয়ম এবং শর্ত)
ব্লাক হ্যাট এস ই ওঃ (অবৈধ পদ্ধতি)
হোয়াইট হ্যাট এসইও
এস ই ও এর কার্যাবলীগুলোর মধ্যে যদি নিম্নোক্ত বিষয়গুলি অন্তর্ভুক্ত থাকে, তাহলে তাকে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও বলা যেতে পারে,
যেটা গুগল এর নির্দেশনাসমূহ মেনে চলে।
যেটাতে কোন প্রতারনার পন্থা অবলম্বন করা হয় না।
এটা নিশ্চিত করে যে, গুগল সার্চ এ যে বিষয়বস্তু সমূহ প্রদর্শন করবে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ ঠিক একই হবে।
এটা নিশ্চিত করবে যে, ওয়েবসাইট এর বিষয়বস্তুসমূহ প্রধানত ব্যবহারকারীদের জন্যই তৈরি করা হয়েছে, শুধুমাত্র গুগল এর সার্চ ইঞ্জিন এ ভাল অবস্থান পেতে নয়।
যেটা ওয়েবপেজ এর ভাল গুনাগুন নিশ্চিত করে।
যেটা ওয়েব পেজ এ ভাল মানের বিষয়বস্তুর নিশ্চয়তা বিধান করে।একজন ওয়েব ডেভেলপার এর জন্য হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর পথ অনুসরণ করা উচিত। কারন, এটা তুলনামুলকভাবে কষ্টসাধ্য হলেও ভবিষ্যতে ওয়েবসাইট এর উন্নতি সাধনে সহায়তা করে।

ব্ল্যাক হ্যাট এসইও
যদি একজন অনুসন্ধান ইঞ্জিন অপটিমাইজার তাঁর ওয়েবপেজ এর সার্বিক উন্নয়নে নিম্নোক্ত পথসমুহ অবলম্বন করে, সেই পদ্ধতিকে ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও বলে অভিহিত করা যেতে পারে,
গুগল এর নির্দেশনা সমূহ উপেক্ষা করে ওয়েবসাইট এর রাঙ্ক বৃদ্ধিতে কাজ করলে।
যদি ব্যবহারকারিকে অন্যকোন ওয়েবসাইট থেকে নিজের ওয়েবসাইট এ নিয়ে আসার চেষ্টা করা হয়, যার মান পূর্বোক্ত ওয়েবসাইট এর সমান বা কম মানের অধিকারী।
কি ওয়ার্ড এ মেটা ট্যাগ এর পুনরাবৃত্তি ঘটালে।
ওয়েবসাইট এর ঠিকানার সাথে মিল না রেখে বিষয়বস্তু নির্ধারণ করলে।
এইচ টি এম এল কোড ব্যবহার করে ওয়েব পেজ এর কোন বিষয়বস্তু গোপন করলে।সর্বোপরি, আপনার ওয়েবসাইট এর উন্নয়েনে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর কৌশল সমূহ অনুসরন করা উচিত। আপনি ওয়েবপেজ এর উন্নয়নে যেটাই অনুসরণ না কেন, গুগল অবশ্যই সেটা জানতে পারবে এবং সে অনুযায়ী বাবস্থা গ্রহণ করবে।
এস ই ও কয়টি পদ্ধতিতে করা যায়?
এস ই ও করার পদ্ধতি মূলত দুই
অন পেজ এস ই ও (On Page SEO): এডমিন প্যানেলে লগ ইন করে ওয়েব সাইটের কাজ করতে হয়।
অফ পেজ এস ই ও (Off Page SEO): এডমিন প্যানেলে লগ ইন না করে বাইরে থেকে ওয়েব সাইটের কাজ করা।

অন পেজ এসইও
লেখাটিকে এমন ভাবে সাজানো যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই বুঝতে পারে আপনি কি নিয়ে লিখছেন। যদি গুছিয়ে অন-পেজ অপ্টিমাইজশেন না করেন তবে ফল পাবেন না। দেখা যাবে লিখেছেন কাকের ঠ্যাং এর উপরে আর র‍্যাঙ্ক করেছে বকের ঠ্যাং এ। সহজ কথায় আর্টিকেল টিকে এমন ভাবে সাজানো যাতে সার্চ ইঞ্জিন সহজেই আপনার লেখার টপিক টা বুঝতে পারে এবং সে অনুযায়ী লেখাটিকে র‍্যাঙ্ক করে।

অফ পেজ এসইও
অফ পেজ এর নাম শুনেই বুঝতে পারছেন এখানে যতো জারিজুরি তার সবটাই নিজের পেজের বাইরে মানে অন্যের ওয়েবসাইটে। কিভাবে পরের মাথায় কাঠাল ভেঙ্গে নিজের লেখা র‍্যাঙ্ক করতে হয় সেটা নিয়ে অন্য কোন দিন আলোচনা হবে। আজ নিজের মাথা পড়ুন আর নিজের কাঁঠাল নিয়েই আলোচনা করা যাক।
সঠিক কি ওয়ার্ড এর জন্য র‍্যাঙ্ক করতে প্রোপার অন-পেজ অপটিমাইজেশন এর কোন বিকল্প নেই। মানুষ আপনার লেখাটি তখনি পড়বে যখন আপনি এমন কিছু লিখছেন যা তিনি খুজছিলেন। সার্চ ইঞ্জিন এর এলগরিদম দীর্ঘ দিনে এমন ভাবে গড়া হয়েছে যাতে এটি বুঝতে পারে কোন লেখা কোন বিষয়ে আর এটার র‍্যাঙ্কিং কেমন হওয়া উচিত। আর্টিকেলকে সার্চ ইঞ্জিন ফ্রেন্ডলি করে সাজানোর জন্য কয়েকটি বেস্ট প্রাক্টিস নিয়ে স্টেপ বাই স্টেপ ধারনা দেয়া হবে নিচে।
এস ই ও করতে কমন কিছু ওয়ার্ড ব্যবহৃত হয়!
Keyword
URL
Link
Visitor
Page Rank
Meta Tag

>>এই ৭টি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে

>>এই ৭টি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে

Back Linkএস ই ও শিখতে কি কি লাগে বা কতদুর পড়াশুনা জানতে হয়?
১। মোটামুটি কনফিগারেশন সম্বলিত একটি ল্যাপটপ/কম্পিউটার।
২। ইন্টারনেট কানেকশন।
৩। ইন্টারনেট সর্ম্পকে মোটামুটি ধারণা এবং ওয়েব ব্রাউজিং।
৪। শেখার মানসিকতা/আগ্রহ।
৫। উপরি উক্ত বিষয় গুলো জানলে এবং মোটামুটি ইংরেজি ধারণা, যাতে করে আপনি
বুঝতে পারেন ওয়েব সাইট টি বা ক্লাইন্ট আপনাকে কি বলছে।
কেন শিখবেন এস ই ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন?
অনলাইন মার্কেটিং একটা গুরুত্বপূর্ণ পার্ট হচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন। যা কিনা সার্চ ইঞ্জিন (গুগল, বিং, ইয়াহু, ইত্যাদি) থেকে ভিজিটর আনতে সাহায্য করে। যখন মানুষ সার্চ ইঞ্জিনে কোন কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ করবে, আর সেখানে যদি আপনার সাইটটি র‍্যাঙ্কে থাকে তখন আপনার পজিশন কি হয় দেখেন:
Google.com>>Who is google? >> http://www..................com
আর এটা যদি আপনার সাইট হয় তাহলে আপনার কেমন হবে বুঝতেই পারছেন? কারন আপনি নিজের থেকে একটা জিনিস ভাবুন আপনি যদি কোন বিষয় জানার জন্য সার্চ করেন তখন সার্চ রেজাল্ট এর সাইট গুলোর কোন সাইট টাতে আপনি ক্লিক করেন? প্রথম টাতে নাকি পরের গুলোতে? এভাবে সব ধরনের বিষয়ের ক্ষেত্রে একই রকম।

আর মানুষ এই কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখতে চায়। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন জানা থাকলে সার্চ ইঞ্জিন থেকে ফ্রী ভিজিটর যে রকম আনা যায়, সেরকম গুগলকে প্রতি মাসে হাজারের উপর ডলার দেওয়া থেকে বেচে যাওয়া যায়। এটা আরেকটু পরিস্কার করি যেমন আপনি যখন গুগলে কোন বিষয় লিখে সার্চ দেন দেখবেন প্রথম কিছু পেইড এড শো করে। এই কী ওয়ার্ডে সার্চ দিলে এই সাইট টি প্রথমে শো করার জন্য গুগল কে পেইড করতে হয়েছে। আর এ জন্য এক কথায় বলা যায় যে, কোন ইনভেস্টমেন্ট ছাড়াই ইনকাম করতে হলে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে শিখতেই হবে।

হয়ত আপনি ভাবতে পারেন তাহলে আমার সাইট টা তো টপে থাকলো না। হুম এটা যেমন ঠিক তেমনি ওর পেমেন্ট এর কথা ভাবুন তার সাইট গুগল এর টপে রাখার জন্য তাকে প্রতি ক্লিক এ গুগল কে ১ ডলার করে পে করতে হচ্ছে। আর এক্ষেত্রে আপনি পাচ্ছেন পুরো ফ্রিতে।

আরেক টা জিনিস মাথায় রাখবেন পেইড এড গুলো সবাই পছন্দ করে না। আপনি নিজের থেকে চিন্তা করেন আপনি যদি কোন সাইটে ভিজিট করেন সেখানে যদি কোন এড দেখায় তাহলে আপনি কি এড ক্লিক করেন নাকি সেটা স্কিপ করে যান। এরকম ই সবাই এড এর সাইট গুলোতে ক্লিক করে না। আর সার্চ ইন্জিন র‌্যাংক হিসেব করে এড দেয়া সাইট এর পরের সাইট গুলো। এ জন্য এস ই ও এর চাহিদা কখনই কমবে না। প্রতিনিয়ত বাড়তেই থাকবে।
একদিকে এস ই ও এর মাধ্যমে আপনি আউটসোর্সিং করতে পারবেন। আপনার জন্য অনেক কাজ অপেক্ষা করছে। আবার যদি আপনি চিন্তা করেন আউটসোর্সিং করব না নিজের বিজনেস নিজে ডেভলপ করব আপনি সেটাও পারবেন।

আর সবচেয়ে বড় কথা হচ্ছে আপনি যদি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন শিখেন তবে আপনার জন্য যে কোন ধরনের সুযোগ-সুবিধা ভোগ করতে পারবেন অনলাইন আয়ের জগতে। একটা প্রোডাক্ট তৈরি করা থেকে একটা প্রোডাক্ট মার্কেট পাওয়া অনেক কষ্ট। আর আপনি যখন সেই কঠিন কাজটা নিজের আওতায় অন্তর্ভুক্ত করতে পারবেন তখনি আপনি অনলাইন আয়ের জগতে নিজেকে স্বাবলম্বী করতে পারবেন।

আর বর্তমানে ইকমার্স ব্যাবসা, যে কোন ধরনের বিজনেস ডেভেলপ করা সব কিছুই প্রযুক্তির সাহায্যে হচ্ছে। আর সব কিছুই আপনি সম্ভব করতে পারবেন এস ই ও দ্বারা।
আরেক টু দেখে নিন সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন আপনাকে কি কি বিষয়ে সাহায্য করবে?
1. আপনার সাইটের ভিজিটর বৃদ্ধির ক্ষেত্রে।
2. ROI (ROI=Return on Investment) বা আপনার বিনিয়োগ ফিরে পাবেন
3. অতিরিক্ত পরিমাণ বিনিয়োগ বাঁচাতে পারবেন।
4. খুব কম বিনিয়োগে নিজের কোম্পানি বা ব্র্যান্ড কে প্রচার করাতে পারবেন।

>>বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকামের সেরা ১০ উপায়

>>অনলাইনে ইনকামের এদিক সেদিক। কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

কোথায় শিখবেন এস ই ও?
এস ই ও শেখার বিভিন্ন উপায় আছে। আমি কিছু শেয়ার করলাম।
১। ট্রেনিং সেন্টার
২। অনলাইনে বিভিন্ন ব্লগ পড়ে বা গুগলের সাহায্য নিয়ে।
৩। ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে।
এই উপায় গুলো ফলো করে আপনি এস ই ও শিখতে পারেন। এখন আপনার মনে প্রশ্ন জাগতে পারে যে এই ৩ উপায় এর মধ্যে কোনটা আমার জন্য ভাল হবে? প্রথম দুইটা উপায় আপনার জন্য সব থেকে বেশি ভাল হবে। এখন আবার প্রশ্ন যে, তিন নাম্বারটা কেন বেশি ভাল হবে না?

উত্তরঃ আপনি যদি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে কাজ শিখেন তাহলে আপনার শিখার আগ্রহ ওই ভিডিও টিউটোরিয়াল পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। কোন কিছু জানার জন্য আপনি ভিডিও টিউটোরিয়াল খুঁজবেন, ভিডিও টিউটোরিয়াল এর উপর নির্ভর থাকবেন। কোন কিছু জানার জন্য তখন আপনি গুগল ব্যবহার করবেন না ইউটিউব ব্যবহার করে ভিডিও খুঁজবেন। যার কারনে আপনার জ্ঞান ভিডিও পর্যন্ত সীমাবদ্ধ থাকবে। যার কারনে ভিডিওটাকে আমি ওই ভাবে সাপোর্ট করি না।
বাকি রইল ২ টা ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড অনলাইনে ব্লগ পড়ে। আপনি যদি ট্রেনিং সেন্টার থেকে ট্রেনিং নিয়ে এস ই ও শিখতে চান তাহলেও পারবেন তবে আপনাকে ভাল মানের এস ই ও এক্সপার্টদের কাছ থেকে ট্রেনিং নিতে হবে। যদি সেই রকম কোন ট্রেনিং সেন্টার না পান তাহলে অনলাইনকে বেছে নিন। এখন ধরুন আপনি একটা ট্রেনিং সেন্টার থেকে এস ই ও শেষ করলেন। আর ট্রেনিং শেষ করার পর যদি আপনি মনে করেন যে আপনি এস ই ও এক্সপার্ট হয়ে গেছেন তাহলে মস্ত বড় ভুল করলেন।
এখন বর্তমানে ট্রেনিং সেন্টার গুলোতে মোটামুটি বেসিক শিখানো হয় আর খুব কম প্রতিষ্ঠান ই আছে যারা ট্রেনিং চলাকালীন সময়ে লাইভ প্রজেক্ট দেখায়। কিন্তু এতেও আপনাকে এক্সপার্ট হতে পারবেন না। ট্রেনিং শেষ করে আপনার ব্যক্তিগত সাইট কে এস ই ও করার ক্ষেত্রে এবং ইন্টার্নির ব্যবস্থা করে কোন লাইভ প্রজেক্টে কাজ করালে আমি আশা করি আপনি কাজ করার মত এস ই ও শিখতে পারবেন। কিন্তু কখনোই এক্সপার্ট বলতে পারবেন না। কারন এটা যে সময় আপডেট হতে পারে অতএব আপনাকে শেখার উপরে কাজের উপরেই থাকতে হবে।

>>গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন করবেন?

>>গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান

আপনাকে যা করতে হবে :
ট্রেনিং চলাকালীন ওখান থেকে যে লাইভ প্রজেক্ট গুলো দেখানো হবে সেগুলোর পাশাপাশি নিজের ব্যক্তি গত প্রজেক্ট করতে হবে।
ট্রেনিং শেষে ট্রেনিং ইন্সটিটিউট এ কমপক্ষে তিন মাস সময় নিয়ে তাদের থেকে লাইভ প্রজেক্ট করে আপনাকে আগাতে হবে।
এমন প্রতিষ্ঠান এ ভর্তি হবেন যাদের ট্রেইনার রা আসোলেই এসইও কাজ করেন। যে প্রতিষ্ঠান ট্রেনিং এর পরেও আপনাকে তাদের সাথে থেকে ইন্টার্নি বা তাদের প্রজেক্টে কাজ করার সুযোগ দেয়।
যে প্রতিষ্ঠান আসলেই টাকার থেকে শিখানোর ব্যাপারে আগ্রহী সেসব প্রতিষ্ঠান কে বাছাই করে নিতে হবে।
আপনি যেখানে ভর্তি হবেন তাদের মডিউল দেখেন। তারপরে যারা এক্সপার্ট আছে তাদের কে মডিউল দেখান তারা যদি আপনাকে সাজেষ্ট করে ভর্তির ব্যাপারে তাহলে আপনি ভর্তি হবেন।
সর্বপরি গুগল যদি আপনি ভাল করে কাজে লাগাতে পারেন তাহলে আপনার এক্সপার্ট হওয়া কেউ ঠেকাতে পারবে না। এমন অনেকেই আছে যে অনেক অ্যাডভান্স জিনিস পারে কিন্তু ছোট কাজ সেটা পারে না কিন্তু সে সেই কাজটা শিখেছিল এখন মনে নেই। আর তার না পারার কারন হচ্ছে অ্যাডভান্স জিনিস শিখতে গিয়ে সে বেসিক অনেক কিছুই ভুলে গেছে এই রকম যেন আপনার ক্ষেত্রে না হয় সে জন্য আপনি যে টুকু শিখেছেন সেই টুকু নিয়ে প্রতিদিন অনুশীলন করতে হবে আর অ্যাডভান্স কাজ গুলো শিখতে হবে।

এস ই ও শিখতে আপনাকে কি কি বিষয় শিখতে হবে?
Basic concepts of a website promotion
Discussion on White Hat, Grey Hat and Black Hat SEO
Keywords
Back Links
Anchor Text
Page Rank
Website Age
Understanding Authority
Ranking Factors
Introduction to Keyword Research
Keyword Tools
Finalization of Keywords
Domain Selection & SEO Friendly Website Structure
Single Page Optimize
Robots.txt and Sitemap.xml
Important on site factors
Google Webmaster Tools & Analytics
Link Strategy & Monitoring
Reporting, Portfolio building & Auditing

এস ই ও এর কিছু সুবিধা বা দিক গুলো কি কি?
আপনার ক্লাইন্টের কাজের উপর নির্ভর করে কত ঘন্টা আপনাকে কাজ করতে হবে। তবে ২ ঘন্টা কাজ করলেই মোটামুটি ফলাফল পাওয়া যায়। তবে ক্ষেত্র বিশেষে সময় বেশি লাগে সেটা হতে পারে ৪-৬ ঘন্টা বা আরো বেশি।
এস ই ও করে মাসে কত টাকা ইনকাম করা যায়?
এক্ষেত্রে আপনার কাজের দক্ষ্যতার উপর নির্ভর করে যে, আপনি মাসে কত টাকা ইনকাম করতে পারবেন। বাইরের দেশে অনেক এস ই ও ফ্রিল্যানসার প্রতি কাজের জন্য monthly 750-3000 ডলারের বিনিময়ে কাজ করে থাকেন। তবে সেক্ষেত্রে আমাদের দেশে টাকা টা তুলনা মূলক একটু কম তবে কাজে দক্ষ্য হলে ইনকাম বাড়বে বই কমবে না। তাই বুঝতেই পারছেন এর ইনকাম সোর্স বা পরিধি কত।

আরো জানতে পড়ুন... এখানে

Don't Miss
© all rights reserved.
Made with by Science Tech BD