Responsive Ad Slot

Showing posts with label ইনকাম. Show all posts
Showing posts with label ইনকাম. Show all posts

Msb Academy Ultimate Fiverr Success: Boost Sales & Build Career In Online

No comments

Friday, 6 December 2024

 


Msb Academy Ultimate Fiverr Success: Boost Sales & Build Career In Online

Msb Academy Certified Ethical Hacking Masterclass

No comments

Friday, 22 November 2024


Msb Academy Certified Ethical Hacking Masterclass



Download Link 01

Download Link 02

Download Link 03




 

জেনে নিন গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

No comments

Wednesday, 15 April 2020


গ্রাফিক ডিজাইনের শেকড় অনেক প্রাচীন হলেও ব্রিটেইন এ ১৯ শতকের শেষের দিকে ফাইন আর্ট থেকে আলাদা হয়ে গ্রাফিক ডিজাইন স্বতন্ত্র ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর প্রিন্ট মিডিয়ার হাত ধরে আক্ষরিক ভাবে গ্রাফিক ডিজাইন এর পথ চলা শুরু আমেরিকান বই ডিজাইনার উইলিয়াম এডিসন ডুইজ্ঞিন্স এর হাত ধরে ১৯২২ সালের গোঁড়ার দিকে।

বাংলাদেশে গ্রাফিক ডিজাইনের যাত্রা মোটামুটি ভাবে বলা যায় ১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে শুরু হয়। তখন আমাদের দেশের বিভিন্ন কোম্পানিগুলো কাজ করাতো প্রিন্ট মিডিয়া বা প্রেসগুলোর কাছ থেকে। বুক কভার ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ব্যোনার ডিজাইন, বই এর ভেতরে ইলাস্ট্রেশন ডিজাইন,ব্রশিউর, লিফলেট, গ্রিটিং কার্ড, সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, এডভারটাইজিং মেটেরিয়াল ডিজাইন ইত্যাদি করা হতো। আস্তে আস্তে বিভিন্ন কোমপানিতে ইন হাউজ গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর চাহিদা দেখা দিতে শুরু করল। তখন ঢাকায় ছিল মাল্টিমিডিয়ার সব চেয়ে বড় ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট এরিনা মাল্টিমিডিয়া। আরও ছিল এপটেক,নিউ হরাইজন, হাই টেক ইত্যাদি। সেসময়ে এগুলোতে পড়াশোনার খরচ ও ছিল বেশ ব‍্যায়বহুল। তখন থেকেই ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা এখন অব্দি সবচেয়ে ডিমান্ডিং। কিন্তু গ্রাফিক ডিজাইনার’রা গতানুগতিক গ্রাফিক শিখে তেমন সুবিধা করতে পারছিল না; যার মুল প্রতিবন্ধকতা ছিল কাজের তুলনায় অল্প পারিশ্রমিক। এছাড়াও, আমাদের দেশে ছদ্মবেশী বেকারত্ব একটি কারন। যেখানে যার কাজ করার কথা সেখানে সে না করে অন্য পেশার লোক সেই কাজ করছে। খুব ভালো মানের গ্রাফিক্স এর কাজ এর জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনের ও ডিভাইসের অভাব, অপ্রতুল কাজের পরিসর, ভালো মানের কাজের পেছনে খরচ না করবার প্রবনতা। আর অরিজিনাল সফটওয়্যার ইউজ না করতে পারার একটা দুর্বলতা তো সবসময় ই আছে। কিন্তু আমাদের এই সকল প্রতিবন্ধকতার জন্য আমরা যতটা পিছিয়ে পড়েছি, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো ঠিক তার চেয়ে কয়েক গুন দ্রতু গতিতে এগিয়ে গিয়েছে। এখন আশার কথা হচ্ছে,এই সেক্টরে শুধু দেশের উপর নির্ভর করে নয়, আউটসোরসিং করেও প্রতি মাসে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব এবং অলেরেডি বিভিন্ন সেক্টরে গ্রাফিক্সের ব্যাবহারিক প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

কোথায় নেই গ্রাফিক্সের প্রয়োজন?
ফ্যাশন ডিজাইন, টেক্সটাইল ডিজাইন, ইন্টেরিওর ডিজাইন, এডমেকিং, ব্রান্ডিং, প্রমোশন, লোগো, কার্টুন মেকিং, ইন্টারেক্টিভ মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ওয়েব মিডিয়া, ফটোগ্রাফি, গেম ডিজাইন,ফাইন আর্ট, ইনফরমেশন মিডিয়া, মোবাইল এপ ডিজাইন ইত্যাদি অসংখ্য সেক্টরে এখন কাজের ছড়াছড়ি।
গ্রাফিক ডিজাইন এর ব্যাবহার বা পরিধি তিন ভাবে বিভক্ত –
প্রিন্টমিডিয়া
মাল্টিমিডিয়া
ওয়েব মিডিয়া
একজন এডভান্স লেভেলের গ্রাফিক ডিজাইনার এর যা যা জানা প্রয়োজন –
ইলাস্ট্রেশন
টিপোগ্রাফি
এনিমেশন
ফটো রিটাচিং ও এডিটিং
ডিজিটাল/ওয়েব পেজ ডিজাইন
প্রিন্টমিডিয়া
টেক্সটাইল ডিজাইন
ইনফরমেশন ডিজাইন
ইন্টার‌্যাকশন ডিজাইন
ফাইন আর্ট/ভিজুয়াল আর্ট
এডভারটাইজিং
আর্ট ডাইরেকশন
গ্রাফিক ডিজাইনের সফটওয়্যার গুলো –
প্রফেশনাল’রা যারা টিভি বা অন্যান্য মিডিয়াতে অনেক হাই এন্ড গ্রাফিক্স এর কাজ, এনিমেশন, মাল্টিমিডিয়ার কাজ করে তারা সাধারণত ম্যাক ইউজ করে। কিন্তু একটি ম্যাক এর দাম বেশিরভাগ মানুষের সাধ্যের বাইরে হওয়াতে ঘরে অথবা অফিসে উইন্ডোজ’ই ব্যেবহার করে।
বাজারে অসংখ্য গ্রাফিক্স এর সফটওয়্যার আছে যেমন –
Dia
gPick
GIMP
Inkscape
Scribus
FontForge
PaintPro
Photoscape
SweetHome
PhotoFiltre
PaintToolSAI
XnView
FotoMix
GoogleSketchUp
PhotoPos Pro
PaintToolSAI
CorelDRAW Graphics Suite
LogoDesign Studio
FreshPaint for Windows ইত্যাদি..

কিন্তু প্রফেশনাল কাজের জন্য বহুল প্রচলিত এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এডোবি গ্রুপ এর সফটওয়্যার গুলো। এডোবি গ্রুপ এর সফটওয়্যার গুলোর সাথে আমরা কম বেশী সবাই পরিচিত। তারপরও এক নজরে দেখে নেই-
ডিজাইন এবং ফটোগ্রাফির জন্য
Photoshop
Illustrator
InDesign
Adobe Muse
Lightroom
Elements family

ভিডিও এডিটিং এর জন্য
Adobe Premiere
After Effects

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং এইচ টি এম এল এর জন্য
Edge Tools & Services
Dreamweaver
Gaming
Mobile apps

জব এর জন্য একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এর যে দক্ষতাগুলো থাকা প্রয়োজন –
ক্লায়েন্টের বিজনেস এর ধরন সম্পর্কে জানা, প্রডাক্ট সম্পর্কে সাম্যক ধারনা লাভ, প্রডাক্টের প্রতিযোগী কারা এবং বাজার ও ক্রেতার অবস্থা সম্পর্কে জানা।
ডিজাইন আইডিয়া বের করার জন্যপ্রয়োজনীও মুড বোর্ড, মক-আপস, স্কেচ ইত্যাদি তৈরি করার দক্ষতা।
নতুনত্ব ও অভিনব প্রডাক্ট এর ডিজাইন তৈরি ও বর্তমান মার্কেট সম্পর্কে রিসার্চ করার ক্ষমতা ।
প্রডাক্টের কোন ত্রুটি থাকলেতা ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভিটির দক্ষতা দিয়ে সমস্যা সমাধানের মেধা।
প্রডাকশন টেকনিক জানারপাশাপাশি প্রিন্ট মিডিয়া এবং ডিজিটাল মিডিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকা জরুরি।
যখন যে মিডিয়া তযেকাজকরবে সেই মিডিয়ার কাজের সাথে জড়িত অন্যান্যদের সাথে স্বচ্ছ যোগাযোগ থাকতে হবে। যেমন ওয়েব এ থাকলে প্রোগ্রামারদের সাথে, কপিরাইটারদের সাথে, ডিজাইনারদের সাথে, প্রিন্টে থাকলে ফটোগ্রাফারদের সাথে, প্রেসেরসাথে ইত্যাদি…।
কাজের সময় বাজেট এবং সময়ের ধরা বাধা নিয়মকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

আরও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য এবং টিপস –
ব্র্যানড এবং ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে জানা।
সমসাময়িক স্টাইল, গ্রাফিক্সের ইতিহাস এবং ভিজুয়াল আর্ট সম্পর্কে জানা থাকতে হবে।
ক্রিয়েটিভ ফ্লায়ার, টিপগ্রাফি ইমাজিয়ারি এবং লে আউট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকতে হবে।
যে কোন ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যেবহার করার স্কিল থাকতে হবে।
খুব ভালো কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।
টিম ওয়ার্ক এর মানসিকতা এবং হার্ড ওয়ার্কিং এর যোগ্যতা থাকতে হবে।
এছাড়াও বেশী বেশী ম্যাগাজিন এর লে আউট গুলো, ফন্ট, কালার ইত্যাদি ফলো করা।
বিভিন্ন এপ্স ইউজ করা ।
বিভিন্ন ওয়েব সাইট ব্রাউজ করা।
এবং মুভি বা চ্যানেল গুলো দেখার সময় বিভিন্ন ফন্ট এর ইউজ, বিভিন্ন দেশের মুভির প্লট দেখে কালার সেন্স সম্পর্কে ধারনা নেয়া ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান?? 

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গুরুত্তপূর্ন টিপস

 

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

No comments

গ্রাফিক্স ডিজাইনকে বলা হয় আর্ট অফ কমিউনিকেশন।

লোগো, ব্র্যান্ডিং, পাবলিকেশন, ম্যাগাজিন, পত্রিকা, বই, থেকে শুরু করে পোস্টার, বিলবোর্ড, ওয়েবসাইট গ্রাফিক্স, সাইন, প্রোডাক্ট প্যাকেজিং পর্যন্ত কোথায় নেই গ্রাফিক্সের ব্যবহার! সেই তখন থেকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের, নিত্যনতুন আইডিয়া আর ডিজাইন নিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন এগিয়ে এসেছে বহু পথ। কাজকে আরো সহজ করার জন্যে তৈরী হচ্ছে নিত্যনতুন প্রযুক্তি আর সফটওয়্যার, সেই সাথে কাজের ধারারও পরিবর্তন আসছে অনেক। গ্রাফিক্সের পরোক্ষ ব্যবহারে বাড়ছে বিক্রয়ের পরিমাণ, সম্প্রসারিত হচ্ছে ব্যবসাক্ষেত্র। সেই সাথে তাল দিয়ে বাড়ছে ডিজাইনারদের চাহিদাও।
বর্তমান সময়ের একটি আকর্ষণীয় পেশা হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন। গ্রাফিক্স ডিজাইন যেমনি একটি সম্মান জনক পেশা তেমনি আয়েরও অন্যতম উৎস। বাংলাদেশ এবং দেশের বাইরে ভাল মানের গ্রফিক্স ডিজাইনারদের ব্যাপক চাহিদা । সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে মানুষের চিন্তা চেতনারও পরিবর্তন হচ্ছে, যার ফলে সকল কাজের মধ্যে একটি আর্টিফিশিয়াল ভাব লক্ষণীয়। তাহলে চলুন জেনে নেই সেই সম্পর্কে...
গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখে কিভাবে আমরা আয় করতে পারি চলুন এবার দেখি: প্রথমে  আয় করার চিন্তা বাদ দিয়ে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখুন। সময় নিয়ে ভালোভাবে কাজ শিখুন। তারপর যা করবেন-  
               

যে কোন প্রাতিষ্ঠানে চাকুরি :

অতীতে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখাকে মানুষ শখের বিষয় হিসেবে মনে করত কিন্তু এই সময়ে ডিজাইনের কাজটির অবস্থান এখন অনেক উচ্চতায় । গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র এখন আর কোন একটি জায়গাতে সীমাবদ্ধ নেই । বর্তমান সময়ে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাকরির বাজারে প্রচুর চাহিদা রয়েছে । প্রাইভেট কোম্পানি গুলোতে নিজেদের বিভিন্ন ডিজাইন এবং প্রচারের ক্ষেত্রে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজে লাগানো হচ্ছে । তাই এই প্রতিযোগিতা মূলক বাজারে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের চাহিদা দিন দিন বেড়েই চলছে । এক্ষেত্রে বেতনও নজর করা । প্রতি মাসে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের আয় কত হতে পারে? এ সম্পর্কে ডিজাইনারদের বেতন নিয়ে কাজ করা আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান ডিজাইনার স্যালারিজ-এর মতে, একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি বছরে গ্রাফিক্স ডিজাইনের কাজ করে ১ লাখ ডলার বা প্রায় ৮০ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারে। বাংলাদেশে গ্রাফিক্স ডিজাইনে ডিপ্লোমাধারীর বেতন মাসে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা। তবে ব্যাচেলর ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারীদের বেতন মাসিক ৪০ হাজার টাকা থেকে ২লাখ টাকা পর্যন্ত হতে পারে।  

>>বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকামের সেরা ১০ উপায়

একজন দক্ষ ফ্রিলান্সার :

একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দেশে রয়েছে যেমন কাজের ক্ষেত্র তেমনি দেশের বাহিরেও এদের প্রচুর চাহিদা রয়েছে । বর্তমান সময়ের ফ্রিলান্সিং হচ্ছে একটি সম্মান জনক পেশা । একজন ভালমানের গ্রাফিক্স ডিজাইনারের শুধু দেশে নয় বিদেশেও রয়েছে ব্যাপক চাহিদা । অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোতেও গ্রাফিক্স ডিজাইনের অনেক কাজ পাওয়া যায় । উদাহরন সরূপ আমরা আপওয়ার্ক, ফ্রিলান্সার, ইলান্স,ফিভার অনলাইন মার্কেটপ্লেস গুলোর কথা বলতে পারি যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার প্রতি ঘণ্টায় ১০-৩০ ডলার রেটে কাজ কতে পারে । আয় করতে পারে প্রচুর বৈদাশিক মুদ্রা ।

 অনলাইন মার্কেটপ্লেসে আপনি একটি লগো ডিজাইন করলে ৫০ থেকে শুরু করে ২ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে। তবে বড় প্রতিষ্ঠানগুলোর ক্ষেত্রে এটি ৫ থেকে ১০ হাজার ডলার পর্যন্তও হতে পারে। একটি ওয়েবসাইটটের প্রথম পেজ ডিজাইন করার ক্ষেত্রে ৫০ ডলার থেকে শুরু করে ৩ হাজার ডলার পর্যন্ত পেতে পারেন। পূর্ণাঙ্গ একটি ওয়েবসাইটের ডিজাইন করে পাওয়া যায় ২শ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত। ব্র্যান্ড অপটিমাইজেশন এবং ব্রশিউর তৈরির প্রজেক্টগুলোও ৩০০ থেকে ৫ হাজার ডলার পর্যন্ত হতে পারে।
ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে মোট কাজের প্রায় ১৪% হল গ্রাফিক্স এবং মাল্টিমিডিয়ার কাজ, গতবছরে আয় বৃদ্ধির হার ছিল ৪৪%। ২০১২ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত শুধুমাত্র ইল্যান্সেই গ্রাফিক্স রিলেটেড জব পোষ্ট হয়েছে ৯ লাখ ১৩হাজারেরও উপরে, এর পেছনে ব্যয় হয়েছে ৫ শত ৩০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। তাই ফ্রিল্যান্সার হতে চাওয়া তরুণ-তরুণীদের জন্যে অন্যতম পছন্দ হতে পারে এ ক্ষেত্রটি।

                     

একজন সফল উদ্দোক্তা :



আমাদের সমাজের শিক্ষিত – অশিক্ষিত সকল শ্রেণীর মানুষের মধ্যে চাকরি পাওয়া বিষয়টি ইতিবাচক হিসেবে কাজ করে কিন্তু একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার এ ভ্রান্ত ধারণাটিকে ভুল প্রমাণিত করতে পারেন। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার নিজেই হয়ে উঠতে পারেন একজন সফল উদ্দোক্তা। নিজের ক্রিয়েটিভ ধারনাকে কাজে লাগিয়ে লোকাল বা অনলাইনে বিক্রি করতে পারে নিজের প্রোডাক্ট। সে নিজেই তৈরি করতে পারে অন্য দশজন বেকার যুবকের কর্মসংস্থান। প্রথম দিকে বিষয়টি অনেক তুচ্ছ মনে হলেও পরবর্তীতে এটি হতে পারে একটি বিশ্ব মানের প্রতিষ্ঠান।

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা:

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে শিক্ষাগত যোগ্যতা মূল বিষয় না। তবে কর্পোরেট প্রতিষ্ঠানগুলো গ্রাফিক্স ইনস্টিটিউট থেকে ডিপ্লোমা কিংবা ফাইন আর্টসে ব্যাচেলর ডিগ্রিধারী কর্মী চেয়ে থাকেন। তবে ডিগ্রি কোন ব্যাপারই নয়, আপনি যদি কাজটি ভালোভাবে জানেন এবং সৃজনশীল হয়ে থাকেন। এই যেমন আমি একজন ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ার, এখন পেশা হিসেবে বেছে নিয়েছি গ্রাফিক্স ডিজাইনিং। এজন্য আমার ফাইন আর্টস কিংবা গ্রাফিক্স বিষয়ে লেখাপড়া করতে হয়নি।
মোটকথা, ইংরেজি এবং গ্রাফিক্স ডিজাইনিং বেসিক জানেন তবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা শুরু করে করতে পারেন। সহজ কিছু কাজ আছে যা মাত্র কয়েক মাসের ট্রেনিং নিয়েই এ ধরণের কাজ করা সম্ভব। আর চর্চা করতে করতেই প্রফেশনাল হিসেবে ধীরে ধীরে নিজেকে গড়ে তুলতে পারবেন।

ইন্টারনেট থেকেই গ্রাফিক্স সংক্রান্ত অনেক রিসোর্স পাওয়া যায়, তবে এর সঙ্গে যেহেতু অনেক বিষয় জড়িত তাই একটু বেশি সময় ব্যয় হয়। অল্প সময়ের মধ্যে শিখতে চাইলে কোন প্রফেশনাল প্রশিক্ষণ প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সহায়তা নিতে পারেন।
তাহলে বন্ধুরা আজ এই পর্যন্ত... এই  বিষয় নিয়ে বিস্তারিত আমার ব্লগে আলোচনা করব তাই পরবর্তী টিউন পেতে চোখ রাখুন আমার ব্লগে। আপনার প্রতি শুভ কামনা রেখে শেষ করছি আজকের টিউন।

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০১]  

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৫]- ফরেক্স মার্কেটিং

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

আরো জানতে পড়ুন... এখানে

 

স্মার্ট ক্যারিয়ার গড়ুন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনে

No comments

Sunday, 12 April 2020

খুব সহজে ফ্রিল্যান্সার হতে চান? যদি স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে গড়ে তুলতে পারেন। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক্স ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। অন্য সব পেশা থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ, ঝামেলাবিহীন ও স্বাধীনতা পূর্ণ।অন্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটি একটি সম্মানজনক পেশাও ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি প্রসেস যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি মানুষের কাছে বাস্তবরূপে উপস্থাপন করা যায়। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারই পারেন তার কাজের মাধ্যমে ব্যবহারকারির উপর প্রভাব ফেলতে এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পোঁছে দিতে।

ডিজাইনার হয়ে লাখ টাকা ইনকাম করুন

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

কি জানা লাগবেঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো করতে পারবেন। কারণ,ইংরেজি হল ইন্টারন্যাশনাল ভাষা এই ভাষার মাধ্যমে যে কোন দেশের যে কোন বর্নের মানুষের সাথে আপনি কমোনিকেট করতে পারবেন। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। আমরা যেহেতু অনলাইনে কাজ করবো, সেহেতু ইন্টারনেট থাক্তেই হবে।ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর, এডোবি ইন ডিজাইন প্রভৃতি।

 বাংলাদেশ থেকে অনলাইনে ইনকামের সেরা ১০ উপায়

>>এই ৭টি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে

কিভাবে শিখবেনঃ

* ভালো প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেয়া।
* প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারের অধীনে কাজ করা।
* অন্যের কাজ অনুসরণ করা।
* অনলাইনে সার্চ করা।
* মানসম্মত টিউটোরিয়াল দেখা।
* ভাল সফটওয়্যার দিয়ে ডিজাইন শিখা।

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্রঃ

যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই সব সময় ডিজাইনারকে কাজ
করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে।যেহেতু গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের
ক্ষেত্র বিস্তৃত। তবে বিশেষভাবে যে কাজগুলোর চাহিদা অনেক বেশি, তা নিচে দেয়া হলঃ
১। লোগো ডিজাইন ২। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন ৩। ওয়েবসাইট পিএসডি টেম্প্লেট ডিজাইন ৪। ওয়েব ব্যানার ডিজাইন
৫। বুক কভার ডিজাইন ৬। টি-শার্ট ডিজাইন ৭। পোস্ট কার্ড ডিজাইন ৮। বিজ্ঞাপন ডিজাইন ৯। আইকোন ডিজাইন
১০। ডিজিটাল ইমেজ প্রসেসিং ১১। ব্রুশিয়ার ডিজাইন ১২। মোবাইল অ্যাপ/ইউআই ডিজাইন ইত্যাদিসহ আরো অনেক
কাজ পাওয়া যায়।

 অনলাইনে লাখ টাকা ইনকামের ১০ টি উপায়-০১

 অনলাইনে লাখ টাকা ইনকামের ১৪ টি উপায়-০২

লোগো ডিজাইনঃ

লোগো হচ্ছে একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ড। লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড
অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন কিংবা প্রাণ শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই
চিনতে পারা যায়। মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকেই তৈরি করতে হয়।লোগো যেমন লোকাল
বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনেও বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।

ওয়েব ডিজাইনঃ

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে অনলাইন বিপ্লবের এই যুগে ওয়েবসাইটের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠন এমনকি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটও অনেকে তৈরি করতে চান। আর ব্যবসার প্রসারে ওয়েবসাইট অতি প্রয়োজনীয় একটি হাতিয়ার। ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুদৃশ্য বাটন তৈরি, ব্যানার তৈরি, ইমেজ এডিটিং, আইকন তৈরি প্রভৃতি কাজ করা ছাড়াও একজন গ্রাফিক ডিজাইনার পিএসডি টেম্পলেটের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ওয়েব সাইটের আর্কিটেকচার তৈরি করতে পারেন।

ভিজিটিং কার্ড তৈরিঃ

ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক্স ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেইল করে আয় করতে পারবেন।
এর বাইরেও ব্রশিয়র ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন সহ রয়েছে আরও অনেক ক্ষেত্র। শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান?? 

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গুরুত্তপূর্ন টিপস

কোথায় জব পাবেনঃ

– বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
– পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
– অনলাইন মার্কেট প্লেইস
– প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
– ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

গ্রাফিক্স সম্পর্কিত আউটসোর্সিং কাজের ওয়েবসাইটঃ

গ্রাফিক্স প্রতিযোগীতাঃ কিছু ওয়েবসাইট রয়েছে, যেখানে সবাই ক্লাইন্টের চাহিদা অনুযায়ী ডিজাইন সাবমিটের মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় অংশ গ্রহণ করে এবং যে বিজয়ী হয়, সে ঐ প্রতিযোগিতার নির্ধারিত অর্থ পায়। এই ধরনের প্রতিযোগিতা হয় এমন উল্লেখ যোগ্য সাইট হচ্ছেঃ
www.99designs.com
www.freelancer.com/contest
https://www.logodesignguru.com/
https://www.48hourslogo.com/
http://www.hatchwise.com/
https://logotournament.com/
https://www.logomyway.com/
https://www.crowdspring.com/

>>অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন

ডিজাইন বিক্রিঃ

আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে আপনার তৈরি বিভিন্ন আইটেম আপলোড করে রাখবেন এবং সেগুলো বিক্রির মাধ্যমে আয় করতে পারবেন। যেমনঃ
www.graphicriver.net
www.creativemarket.com
www.codegrape.com
www.designcrowd.com
www.freelancer.com/marketplace

বিড করে কাজ :

আবার কিছু কিছু সাইট আছে, যেখানে ক্লাইন্টের জবে বিড করে কাজ করা যায়। যেমনঃ
www.upwork.com
www.freelancer.com
www.peopleperhour.com
www.guru.com

অন্যান্যঃ

উপরে উল্লেখিত সাইট গুলো ছাড়াও আরও অনেক সাইট রয়েছে যেখান থেকেও প্রচুর গ্রাফিক্সের কাজ পাওয়া যায়। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য
হচ্ছেঃ www.fiverr.com

যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ

-> অবশ্যাই ভালভাবে কাজ শেখা।
-> নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
-> নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
-> প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
-> কাজের স্যাম্পল টেম্পলেট/ পোর্টফলিও তৈরি করে রাখা
-> প্রতিদিন ডিজাইন করা
-> নিজের মার্কেটিং করা

কিভাবে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখবেনঃ

গ্রাফিক্স ডিজাইন আপনি তিনটি মাধ্যমে শিখতে পারেন। ইন্টারনেটে টিউটরিয়াল দেখে দেখে অথবা ভাল কোন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাছ থেকে অথবা ভাল কোন প্রতিষ্ঠান থেকে প্রশিক্ষন নিতে পারেন। তবে প্রাতিষ্ঠানিক প্রশিক্ষন অনেক বেশি ইফেক্টিভ,কারন সেখানে কাজ শেখানোর পাশাপাশি কাজ কি আসলেই শিখতেছে কি না তাও দেখা হয়, অবশ্যই তা যদি ভালো ও নির্ভরযোগ্য প্রতিস্থান হয়ে থাকে।

একজন ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার কেমন আয় করেন?

আয়ের বিষয়টি সম্পুর্ণ নির্ভর করে স্কিল এবং অভিজ্ঞতার উপর, একজন নতুন গ্রাফিক ডিজাইনার যেমন আয় করে একজন অভিজ্ঞ গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার
চেয়ে কয়েকগুন বেশি আয় করে। সাধারণত একজন নতুন (৬মাস-১বছর অভিজ্ঞতাসম্পন্ন) ফ্রিল্যান্স গ্রাফিক্স ডিজাইনার অনলাইন মার্কেটপ্লেসে প্রতি ঘন্টায়
১০/২০ ডলার রেটে কাজ করেন এবং মাসে এভারেজ ২০,০০০-৫০,০০০ টাকা আয় করতে পারেন। একজন কয়েক বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন ডিজাইনার প্রতি
ঘন্টায় ২০/৬০ ডলার বা তার চাইতে বেশি টাকা আয় করতে পারেন মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করতে পারেন, বাংলাদেশে অনেক ডিজাইনার রয়েছেন যারা প্রতি মাসে লক্ষাধিক টাকা আয় করেন।
যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক্স ডিজাইন।

আরো জানতে পড়ুন... এখানে

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন করবেন

No comments

Saturday, 11 April 2020

ক্রিয়েটিভ কিছু করতে মন চায়? সময় পেলেই কম্পিউটারের পেইন্ট টুলস, ফটোশপ, ইলাস্ট্রেটর নিয়ে গাছ, পাখি, ফুল, ফল, বাড়ির দৃশ্য বা কারো নাম বা ছবি নিয়ে কাজ শুরু করে দেন? পার্ট-টাইম বা ফুল টাইম কাজ খুজছেন? অথবা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করে অপেক্ষাকৃত বেশি আয় করতে চান?তাহলে ভেবে চিন্তে নেমে পড়–ন গ্রাফিক্স ডিজাইনে। অন্যান্য সব চাকরির থেকে গ্রাফিক্স ডিজাইন পেশাটি সবচেয়ে নিরাপদ ও ঝামেলা বিহীন। নিরাপদ ও ঝামেলাবিহীন বলার কারণ হলো অন্যান্য সব পেশার বিপরীতে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কোনো কাজের অভাব হয় না। এটা একটি সন্মানজনক পেশাও। তবে অনেকেই এ পেশাটি নিয়ে চিন্তিত থাকেন। কিভাবে এগিয়ে যাবেন, শিক্ষাগত যোগ্যতা কি প্রয়োজন বা একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের বেতন-ই বা কতো? তাদের জন্য এ লেখা। লেখাটির মাধ্যমে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রাফিক্স ডিজাইনার হতে চাইলে যে বিষয়টি আগে জানতে হবে সেটি জানানো চেষ্টা করেছি।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

আপনার মনে প্রশ্ন জাগছে গ্রাফিক্স ডিজাইন আসলে কি! আচ্ছা তার আগে আমাকে বলুন এমন কিছু কি আছে যাতে গ্রাফিক্স ডিজাইন নেই?! সব কিছুতে ডিজাইন আছে, পৃথিবী-পৃথিবীর বাইরে সব কিছুতেই একটা ডিজাইন আছে। তা প্রাকৃতিকভাবে হোক বা কৃতিমভাবে। আপনি হয়ত তা দেখার চেষ্টা করছেন না বা খেয়াল করছেন না। একটু খুজে দেখুন কোন জিনিসটায় ডিজাইন নেই!

এবার আসুন সংজ্ঞায় দেয়ার চেষ্টা করি…নিজের মত করে সংজ্ঞা দিচ্ছি, আসলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের সংজ্ঞা এক কথায় দেওয়া সম্ভব নয়..তারপরও চেষ্টা করছি..

” যা কিছু ডিজাইনড সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন ”

”একটি ক্রিয়েটিভ প্রসেস যা আর্ট এবং টেকনোলজী এর সমন্বয়ে আইডিয়াগুলো প্রকাশ করে তাকে গ্রাফিক্স ডিজাইন বলে” (আমি আর্ট ও টেকনোলজী …আমার নিজের থেকেও বেশি পছন্দ করি)

বিখ্যাত ডিজাইনার Neville Brody এর মতে”ডিজাইন প্রয়োজনসমূহ, তথ্য এবং কালারের এমন একটি সংশ্লেষন যা এর অংশসমূহের সমষ্টির থেকেও বেশি কিছু তৈরি করে” (তার এই সংজ্ঞার জন্য কয়েকটি আন্তর্জাতিক পুরুষ্কারও পাইছেন…আমি বাংলায় হয়তো ঠিক ভাবটা প্রকাশ করতে পারিনি তবে তিনি এই সংজ্ঞায় অনেক কিছু বোঝাতে চেষ্টা করেছেন)
উপরের সংজ্ঞাগুলো বিশ্লেষন করলে যা পাই তা হল… গ্রাফিক্স ডিজাইন এমন একটি বিষয় যার মাধ্যমে আপনার মনের ভাব, কিছু প্রয়োজন, তথ্য ও কালারের সমন্বয়ে আর্ট ও টেকনোলজীর সাহায্যে উপস্থাপন করতে পারবেন।

উপরের সংজ্ঞাগুলোয় আসলে টেকনিক্যাল দিকগুলো ফুটে ওঠে যা হয়তো কারো কারো কাছে বুঝতে কঠিন হতে পার…

আরওএকটু সহজ করে দিই..Nothing is better than example… 

আপনি হয়তো লোগো ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ইন্টেরিওর-এক্সটেরিওর ডিজাইনের কথা শুনে থাকবেন

একটা লোগোতে একটা কোম্পানীর বিষয়বস্তু/নাম/বর্ননা/কাজ ইত্যাদি ডিজাইনের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হয়একটা বিজনেস কার্ডে ডিজাইনের মাধ্যমে একজন বিজনেসম্যান এর বিভিন্ন তথ্যগুলো দেওয়া হয়একটা ইন্টেরিওর বা এক্সটেরিওর ডিজাইনে একটা বাড়ি বা প্রতিষ্ঠানের ডিজাইন করা হয়

এরকম উদাহরন আরও দেয়া যায়..আস্তে আস্তে পাবেন  এগুলো সবই গ্রাফিক্স ডিজাইন।


গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে?

আমরা প্রথমেই জেনে নিই গ্রাফিক্স ডিজাইনার কে বা তার কাজ কি। তার আগে বলি, গ্রাফিক্স ডিজাইন হলো আর্ট বা কলা’র এ মাধ্যম। ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে এন্ড ইউজার অর্থ্যাৎ সর্বশেষ ব্যবহারকারীর মধ্যে একটি ভালো প্রভাব ফেলতে পারেন। যেটি সেই ব্যবহারকারীর ব্রেইন এ একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলতে পারে। তাই গ্রাফিক্স ডিজাইনার হলেন তিনি, যিনি গ্রাহকের চাহিদানুযায়ী বেশ কিছু কালার, টাইপফেস, ইমেজ এবং অ্যানিমেশন ব্যবহারের মাধ্যমে তার চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হন। এটার আউটপুট ডিজিটাল বা প্রিন্ট উভয়ই হতে পারে। আর বর্তমান সময়ে সচরাচর পাওয়া বিভিন্ন টুলস ও লেআউট ব্যবহারের মাধ্যমে গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে আরো বেশি ক্রিয়েটিভ ও গ্রাহকের চাহিদা পূরণ করে বাড়তি তৃপ্তি দিতে পারছেন

গ্রাফিক্স ডিজাইনার হিসেবে যেখানে চাকরি পাবেনএকজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের দায়িত্ব হলো তার কাজ, পণ্য বা সেবার ওভারঅল লুক ও ভাবমূর্তি ভালোভাবে ফুটিয়ে তোলা। কোনো পূর্বপরিকল্পনা ছাড়া ডিজাইন করা যতোই ভালো পণ্য হোক না কেনো সেটি প্রথমেই ব্যার্থ হবে। তাই একটি নিদ্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ক্রিয়েটিভিটি একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের মানকে উন্নত করে। তাই নিজেকে ভালোভাবে তৈরি করতে পারলে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের অভাব হয় না! সবচেয়ে বড় বিষয় হলো সম্প্রতি দেয়া তথ্যমতে, বর্তমানে প্রায় ৩৫ শতাংশ গ্রাফিক্স ডিজাইনার আত্বনির্ভরশীল ও স্বাবলম্বী।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কেন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন এর সংজ্ঞাই যেহেতু মৌলিকভাবে দেয়া যাচ্ছে না অর্থাত নির্দিষ্ট করে দেয়া যাচ্ছে না, আপনার এ প্রশ্নের উত্তরও নির্দিষ্ট করে দিতে হিমশিম খেতে হয়!

উপরের কথাগুলো বিশ্লেষন করলেই আপনি হয়ত আপনার উত্তর পেয়ে যাবেন। আবারও বলছি আপনার আশেপাশের বস্তুগুলো ভালোভাবে লক্ষ্য করুন দেখুন তাতে একটি ডিজাইন আছে এবং তা একটি অর্থও প্রকাশ করছে এবং তার একটি প্রয়োজনও আছে।মূলত এ বিষয়গুলোর জন্যই গ্রাফিক্স ডিজাইন।

সৃষ্টির শুরু থেকেই সবকিছুতে ডিজাইন ছিল..ডিজাইন হচ্ছে.. ডিজাইন হবে

মানুষের হাতে ডিজাইন করা শুরু হয় আনুমানিক খ্রিষ্টপূর্ব ৫০০০ বছর আগে থেকে। তবে নিদর্শন হিসেবে বিভিন্ন গুহায় যে প্রমান পাওয়া যায় তাতে বলতে হয় এর শুরু অনেক আগে থেকেই। আর এটা শুরু হইছে মানুষের প্রয়োজনেই। খ্রিষ্টপূর্ব ১২০০ বছর আগের একটি নিদর্শন মিউজিয়ামে সংরক্ষিত আছে যেটিই মানুষের হাতে সবচেয়ে আগের জটিল ডিজাইন বলে ধারনা করা হয়(পিকচার দিতে পারছি না বলে দু:খিত…আমার কাছে এর একটি পিকচার আছে )

সেখান থেকে শুরু করে এখন পর্যন্ত অনেক বছর চলে গেছে। আজ পৃথিবীর দিকে তাকিয়ে দেখুন আর সেদিনের কথা একবার চিন্তা করুন অনেক কিছু ডিজাইন করা হইছে..অনেক নতুনত্বের সৃষ্টি হইছে…সুন্দর থেকে সুন্দরতর! সবই মানুষের প্রয়োজনে। আগে করা হত মাটিতে, পাতায়, খাতায় আর এখন করা হয় ডিজিটাল পদ্ধতিতে আরও সুন্দর করে  

এত বকবক করার মূল কারন হল..শুধু এটুকই বলতে চাই গ্রাফিক্স ডিজাইন/ডিজাইন মূলত মানুষের প্রয়োজনেই তা মনের খোরাক মেটানোর জন্য হোক বা পেশা হোক বা ব্যবসায়িক কারন হোক মূলত মানুষের প্রয়োজনেই ডিজাইন।

►একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র কোথায় হতে পারে তার একটি তালিকা দেওয়া হলো-▼

→ ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া:কয়জন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজের সঠিক মূল্যায়ন ও ভাগ্যকে পরিবর্তন করার যে ক্ষেত্রটি পান সেটি হলো ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া। এখানে বিশেষত টেক্সট, গ্রাফিক্স, ভিডিও, অ্যানিমেশন, অডিওসহ যেকেনো কিছু এবং এ সম্পর্কিত সব কিছুই নিয়ে কাজ হয়। আমার মতে ইন্টার‌্যাক্টিভ মিডিয়া হলো তেমনই একটি ভালো নিশ যেখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার তার কাজকে প্রস্ফুটিত করতে পারেন।

→ প্রমোশনাল ডিসপ্লে:সাধারণত যারা বড় ধরনের বা বড় আকারের কাজ করতে চান বা কঠোর পরিশ্রম করতে পারবেন তাদের জন্য এটি একটি ভালো মাধ্যম। এ কাজগুলো মূলত বিভিণœ অ্যাডমিডিয়াতে পাওয়া যায়। এখানে একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারকে বিভিন্ন ধরণের বিলবোর্ড ডিজাইন এবং একই ধরণের প্রোমোশনার ডিসপ্লে ডিজাইন নিয়ে কাজ করতে হয়।

→ জার্নাল:বিভিন্ন ধরণের জার্নালগুলো (বিষয়ভিত্তিক বা ব্যাঙ্গাত্বক) ক্রিয়েটিভ গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের গুরুত্ব দিয়ে থাকে। এখানে সাধারণত পাঠককে আকৃষ্ট করার কাজটি করতে হয়। এখানে আপনাকে ছোটখাটো লোগো, ইমোটিকন থেকে শুরু করে কমপ্লিট কাভার ডিজাইন করতে হতে পারে।

→ কর্পোরেট রিপোর্টস:এটি রেগুলার জব না হলেও কম নয়! একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার বিভিন্ন কোম্পানির কর্পোরেট রিপোর্ট তৈরি করে ভালোমানের আয় করতে পারেন। এটা অনেকটাই প্রফেশনাল কিন্তু মোটেই বোরিং কাজ নয়। কাজের মধ্যে অনেক স্বাচ্ছদ্য বোধ করা যায়।

→ মার্কেটিং ব্রোশিউর:এটিও অনেকটাই প্রোমোশনাল ডিসপ্লের কাজের মতো। এখানে আপনাকে বিভিন্ন কোম্পানির পণ্য বা সেবা নিয়ে ডিজাইনের কাজটি করতে হবে। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া যেহেতু কাজটি সম্ভব নয়, তাই এখানেও আপনার কাজের ক্ষেত্রটি হতে পারে।
→ সংবাদপত্র:গ্রাফিক্স ডিজাইনার ছাড়া সংবাদপত্র! মোটেই সম্ভব নয়। একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনার একটি সংবাদপত্রকে ঠিকই সংবাদপত্রেরই মতো করে তোলেন। ফাইনাল লেআউট দেওয়ার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার অবশ্যই জরুরী। এখানে আপনার পেশার সন্মানটাও বেশি। তাই সংবাদপত্র একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য একটি সাফল্যজনক কাজের ক্ষেত্র।

→ ম্যাগাজিন:এটাও মূলত সংবাদপত্র ও জার্নালের মতো। তবে ম্যাগাজিনে গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের পরিমান অপেক্ষাকৃত অনেক বেশি। কারণ ম্যাগাজিনে ভিজ্যুয়াল লেআউট বেশি থাকে। তাই ম্যাগাজিনের প্রত্যেকটা প্রকাশনার জন্য গ্রাফিক্স ডিজাইনার, অবশ্যই আবশ্যক। এটাও আপনার যথোপযুক্ত কাজের ক্ষেত্র হতে পারে।

→ লোগো ডিজাইন:একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে জনপ্রিয় কাজ হলো লোগো ডিজাইন। এক্ষেত্রে একজন ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কাজ শুরু করতে বেশি সময় লাগে না। আপনার ক্রিয়েটিভিই হলো লোগো ডিজাইনের মূল কথা। প্রায় প্রতিটি প্রতিষ্ঠানই তার প্রতিষ্ঠানের লোগো তৈরির জন্য একজন ফ্রিল্যান্স লোগো ডিজাইনার অর্থাৎ গ্রাফিক্স ডিজাইনারে খোঁজ করেন। তাই আপনি সহজেই কাজ পাবেন এবং ভালো করতে পারলে তাদেরকেই আপনার রেগুলার বায়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে পারবেন।

→ ওয়েবসাইট ডিজাইন:সবশেষে বললেও একজন গ্রাফিক্স ডিজাইনারের জন্য সবচেয়ে বেশি কাজের ক্ষেত্র ওয়েবসাইট ডিজাইন। লোকাল মার্কেট বা অনলাইন মার্কেটপ্লেস যেটাই বলি না কেনো প্রতিনিয়ত ওয়েব ডিজাইনের কাজের পরিমাণ বাড়ছে। তাই ওয়েবসাইট ডিজাইন করেও আপনা গ্রাফিক্স ডিজাইনার পেশাকে সামনে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারবেন নিদ্দিষ্ট লক্ষ্যে।



গ্রাফিক্স ডিজাইন কিভাবে শুরু করবেন?

গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা বেশ সহজ,আপনি আপনার পরিচিত কারো সাহায্য বা কোন ট্রেনিং সেন্টার (IT PAL ORGANIZATION) কয়েকমাসেই চেষ্টা করলেই শেখা  সম্ভব।ভালভাবে শিখতে পারলে গ্রাফিক্স ডিজাইনের উপর প্রচুর চাকরি এবং ফ্রিল্যান্সিং এ হাজার হাজার কাজ পাওয়া যায়।

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০১]  

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-২]-ব্লগ থেকে ইনকাম

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৪]- এসইও

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৫]- ফরেক্স মার্কেটিং

অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-০৬]- গ্রাফিক্স ডিজাইন



অনলাইনে ইনকামের কোন পথ আপনার জন্য সঠিক?[পর্ব-৩]- ওয়ার্ডপ্রেস

No comments

আসসালামু আলাইকুম।  আশা করি সবাই আল্লাহর রহমতে ভালো আছেন। আজ আমি আপনাদের সাথে যে বিষয় নিয়ে আলোচনা করব সেইটা হচ্ছে ওয়ার্ডপ্রেস।


আজকের এই ইন্টারনেট বিশ্বে ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগিং প্লাটফর্ম চিনে না একমন মানুষ খুব কমই পাওয়া যাবে। বর্তমানে আবার অনেক মানুষ এই ওয়ার্ডপ্রেস ডেভেলপমেন্টকে ক্যারিয়ার হিসাবে নিয়ে প্রচুর পরিমানে টাকা ইনকাম করছে। এটা যে খুব কঠিন তাও না, আপনার মেধা, চিন্তাশক্তি আর কাজ করার মন মানুষিকটা থাকলে আপনিও ওয়ার্ডপ্রেস ক্যারিয়ার থেকে প্রচুর টাকা ইনকাম করতে পারবেন।
অনলাইন থেকে আয়ের সবচেয়ে গ্রহনযোগ্যতা বেশি ওয়েব ডিজাইনের।ওয়েব ডিজাইনের জন্য সাধারনত HTML,CSS,PHP,CMS (Content Management System) জানতে হয়। আপনি এত কিছু না জেনেও শুধুমাত্র CMS (Content Management System) যেমন: ওয়ার্ডপ্রেস বা জুমলা দিয়ে ওয়েব সাইট ডিজাইন করতে পারেন। আপনিও ওয়ার্ডপ্রেস শিখে নিয়ে কাজে লেগে যেতে পারেন।

ওয়ার্ডপ্রেস দিয়ে ডিজাইন করতে আপনাকে যে গুলো জানতেই হবে:

  • এইচটিএমএল , সিএসএস এর ব্যাসিক ধারনা। এজন্য ম্যাক্রোমিডিয়া ড্রিমওয়েভার ব্যবহার করা ভাল
  • ডোমেইন কেনা / ডোমেইন ডিএনএস (নেম সার্ভার) নিয়ন্ত্রন
  • হোষ্টিং কেনা / হোষ্টিং এ ডোমেইন যুক্ত করা / হোষ্টিং ম্যানেজমেন্ট যেমন: নতুন সাব ডোমেইন /এফটিপি / ডাটাবেজ খোলা
  • সার্ভারে নতুন ওয়ার্ডপ্রেস ইনস্টল / আপগ্রেড / ব্যাকাপ রাখা
  • সার্ভারে ওয়ার্ডপ্রেস এর নতুন থিমস বা নতুন প্লাগিন ইনস্টল / কনফিগার করা
  • নতুন থিমস্ বা পুরাতন থিমস্ কাস্টোমাইজ করা যেমন: কালার , হেডার,ফুটার,পাতা টেমপ্লেট,সাইডবার,ফন্ট ষ্টাইল ইত্যাদি
  • ওয়ার্ডপ্রেস এর ছোট খাটো সমস্যা টিক করা যেমন: প্লাগিন কাজ না করা/ইমেজ বা ফাইল ড্যাসবোর্ড থেকে আপলোডে সমস্যা, সাইডবার ঠিকমত না আসা,পোষ্ট পদর্শনে সমস্যা ইত্যাদি
বায়াররা বেশির ভাগ এই কাজ গুলোই চেয়ে থাকে। তারপর ধীরে ধীরে এ্যাডভান্স লেভের কাজ শিখবেন।
আমার মনে হয় এইগুলা শিখতে খুব বেশি সময় লাগে না। এসব শেখার জন্য বাংলা ব্লগ তো আছেই , সবচেয়ে ভালো হয় ইংলিশ ব্লগ থেকে শিখতে পারলে।
তাহলে চলুন এবার দেখি আপনিও ওয়ার্ডপ্রেস থেকে কিভাবে টাকা ইনকাম বা আয় করতে পারেন।

১। নতুন ব্লগ তৈরি করে 

আপনি চাইলে নিজের ব্লগিং করার জন্য একটা ব্লগ ডেভেলপ করে টাকা ইনকাম করতে পারেন। এছাড়াও আপনি আপনার ক্লাইন্টদেরকে ওয়ার্ডপ্রেস এর ব্লগ বা ওয়েবসাইট তৈরি করে দিয়ে টাকা ইনকাম করতে পারেন। আপনার সরাসরি ক্লাইন্ট পেতে সমস্যা হলে আপনি ওডেস্ক, ইলেঞ্চ, ফ্রিলেঞ্চার সহ বিভিন্ন ওয়েবসাইটে চেস্টা করে দেখতে পারেন। তবে এই জন্য আপনাকে ফ্রিলাঞ্চিং করার প্রোফাইলটি অনেক সুন্দর করে সাজাতে হবে।  আশা করি এই উপায় ব্যবহার করে আপনি বড় অঙ্কের টাকা ইনকাম করত পারবেন।

২। ভালোমানের কনটেন্ট তৈরি করে 

আপনি চাইলে ভালো মানের কনটেন্ট তৈরি করে এবং সেল করে ভালো অঙ্কের টাকা আয় করতে পারবেন। আপনি এই ধরনের কনটেন্ট তৈরির অসংখ্য জব ফ্রিলাঞ্চিং সাইটে পাবেন। এছাড়া আপনি এই সকল কনটেন্টসমুহ আপনি আপনার নিজস্ব ওয়ার্ডপ্রেস ওয়েবসাইটে ব্যবহার করে অ্যাডসেন্স অথবা অন্য কোন কোম্পানির বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা ইনকাম বা আয় করতে পারেন।


৩। থিম আর প্লাগইন ডেভেলপ করে

আপনি যদি কোডিং-এ এক্সপার্ট হয়ে থাকেন তাহলে আপনার কোডিং-এর অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে প্লাগইন এবং থিম তৈরি এবং বিক্রয় করে টাকা আয় করতে পারেন। আপনার এই সকল ডেভেলপমেন্ট আপনি ওয়ার্ডপ্রেস, থিমফরেস্ট সহ বিভিন্ন ওয়েবসাইট বিক্রয় করতে পারেন। এছাড়া আপনি আপনার ক্লাইন্টের চাহিদামতো ডেভেলপমেন্ট করে দিয়েও টাকা ইনকাম করতে পারেন। আমি আগেই বলেছি এই কাজের জন্য উপরের কাজ শিখতে হবে, তাছাড়া ওয়ার্ডপ্রেস এর কাজগুলো আপনার কাছে কঠিন হবে।


৪। ক্লাইন্টের ওয়েবসাইটের সমস্যা সমাধান করে

ক্লাইন্টের ওয়েবসাইটের কোন সমস্যা হলে সেই সমস্যা ফিক্স করে বা সমাধান করেও টাকা আয় করতে পারেন। তবে এই ধরনের কাজ আপনি প্রচুর পরিমানে পেতে পারেন। এই জন্য আপনাকে ফ্রিলাঞ্চিং ওয়েবসাইট এ আপনাকে একটিভ থাকতে হবে।
আর সব শেষে একটা কথাই বলতে চাই, আপনি যেই কাজটাকেই প্রফেশন হিসাবে নিবেন সেই কাজের সন্মান করবেন আর সবসময় ওটার সাথেই লেগে থাকার চেস্টা করবেন। এতে আপনি নতুন অনেক কিছুই শিখতে পারবেন যা পরবর্তীতে অনেক উপকার করবে।


গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান??

No comments
গ্রাফিক্স ডিজাইনের প্রতি আমার আকর্ষণ সব সময়ই ছিল। আমার আগের অনেক টিউন ছিল ফটো এডিটর নিয়ে। তাই বুঝতেই পারছেন এই দিকে আমার আকর্ষণ। আমার করা সব ফটো টিউন ছিল সাধারণদের ব্যবহারকে চিন্তা করে। প্রোফেশনালদের এডিট করার জন্য সত্যি বলতে ঐ সব ছোট সফটওয়্যার তেমন কাজে আসবে না। 
কিন্তু এখন যেহেতু প্রোফেশনাল ডিজাইনার হিসেবে নিজেকে দেখাতে চান তাই প্রোফেশনাল সফটওয়্যার ছাড়া আর কোন বিকল্প পথ নেই। গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে গিয়ে যে সব সমস্যায় সবাই পড়ে।
কোথায় শিখবো??
কি শিখবো??
ভাল কোন প্রতিষ্ঠান আছে কি??
খরচ কেমন হবে??
আসলেও কি শেখা হবে??
গ্রাফিক্স জগতটা আসলে বিশাল। বলা যায় শেষ নেই কোন। ওয়েব ডিজাইনার অনেক পাবেন কিন্তু গ্রাফিক্স ডিজাইনার সেই তুলনায় অনেক কম। কারণ কি জানেন? আমার কাছে মনে হয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে সময় বেশি লাগে আর কিছুটা জটিলও বটে। এছাড়া ক্রিয়েটিভিটির ব্যাপারও রয়েছে।
কিভাবে শুরু করবেন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখা? আমি যেভাবে শুরু করেছি তা বলি। সফটওয়্যার হিসেবে শুরু করেছি ফটোশপ আর ইলাস্ট্রেটর। ধীরে ধীরে 3D জগতে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। যেহেতু আমি শুরু করেছি বেশিদিন হয়নি তাই এখনও এই দুই সফটওয়্যার নিয়ে পুরোপরি শেখা শেষ হয়নি। শেষ থাকলেতো হবে ।
এখন কথা হলো বাসায় বসে কিভাবে এসব বড় বড় সফটওয়্যার ব্যবহার শিখবেন? বাংলায় টিউটোরিয়াল পাবেন । এছাড়াও অন্যান্য বাংলা ব্লগেও কিছু টিউন আছে। 
আর একটা কথা গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে ওয়েব সাইট দেখে দেখে প্রথমেই সম্ভব না। সবচেয়ে কার্যকর পদ্ধতি হলো ভিডিও টিউটোরিয়াল।  ঐ রকম টিউটোরিয়াল এ কাজ হবে না। তাহলে উপায়?
হ্যা উপায়তো আছে অবশ্যই। সেটা হচ্ছে ইংরেজি টিউটোরিয়াল। 😀 কি দমে গেলেন নাকি? নাহ ব্যাপারটা এত কঠিন কিছু না। আপনি যদি ইংলিশ মুভি রেগুলার দেখেন তাহলে আমার মনে হয় ইংরেজি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখে শেখা তেমন কঠিন কিছু না। আসলে এখন কিছু শিখতে হলে ইংরেজি জানার বিকল্প নেই। আপনাকে জানতেই হবে। এক্ষেত্রে আমার সুপারিশ হলো ইংরেজি শোনার অভ্যাস গড়ে তুলুন। বিনোদনের মাধ্যমে শিখতে পারলে আরো ভাল। মুভি দেখা এক্ষেত্রে অনেক কাজে লাগতে পারে।  তাই বলে হিন্দি মুভি না। 😛
এখন বলি ইংরেজি ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখার সময় কি কি সমস্যায় পড়তে পারেন-
  1. ইংরেজি কথা না বুঝা।
  2. ধৈর্য্য না থাকা।
  3. টিউটোরিয়াল না পাওয়া।
  4. প্রচন্ড ইচ্ছা না থাকা।
  5. ভাল একটা পিসি না থাকা।
হুম ইংলিশ টিউটোরিয়াল যখন দেখবেন তখন অবশ্যই তার কথাগুলো বুঝতে হবে। ১০০% না বুঝতে পারলেও কমপক্ষে ৭০%+  বুঝতেই হবে। এছাড়া সামনে আগানো সম্ভব না।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি এবং কেন করবেন

এবার আসি ধৈর্য্যের ব্যাপারে। কথাটা খারাপ লাগলেও বলি আপনার যদি পর্যাপ্ত ধৈর্য্য না থাকে তাহলে এই টিউন পড়া এখানেই বাদ দিন। কারন ফাল মেরে আপনি বাসায় বসে গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে পারবেন না। ভিডিও টিউটোরিয়াল দেখার সময় অনেক সময়ই ধৈর্য্যের বাধ ভেঙ্গে যাবে। 🙂
টিউটোরিয়াল পাওয়াটা আসলে তেমন কঠিন কিছু না। নেট সম্পর্কে যদি আপনার মোটামুটি ধারণা থাকে তাহলে টিউটোরিয়াল অনেক পেয়ে যাবেন।
প্রচন্ড ইচ্ছা শক্তি থাকতে হবে। আপনি যেহেতু বাসায় বসে শিখছেন তাই কেউ বলেও দিবে না এই মনোযোগ দাও। যা করার নিজেকেই করতে হবে। এছাড়া মাঝপথে ছেড়ে দিলেও হবে না।
গ্রাফিক্স ডিজাইনের জন্য ভাল একটা পিসি অবশ্যই দরকার আছে। নাহলে কাজ করে ভাল লাগবে না। সময় লাগবে বেশি। প্রফেশনাল যারা গ্রাফিক্স ডিজাইনার তাদের পিসি হাই কনফিগারের হয়ে থাকে। তাই ভাল একটা পিসি জোগাড় করুন।

ইংরেজি ভিডিও টিউটোরিয়াল

আমি ইংলিশ ভিডিও টিউটোরিয়াল lynda.com এর চেয়ে ভাল পাইনি বললেই চলে। এখানে যারা টিউটোরিয়াল তৈরি করে সবাই এক একজন বস বলা যায়। অনেক বিস্তারিত টিউটোরিয়াল তৈরি করে। এখন কথা হলো এসব টিউটোরিয়াল দেখতে হলেতো টাকা লাগে আপনি কোথায় পাবেন? হুম এক্ষেত্রে আপনাকে পাইরেসিই করতে হবে। 😛 পাইরেসির ইচ্ছা না থাকলে টাকা দিয়া দেখেন। 😀

আমার দেখা কিছু সেরা টিউটোরিয়াল।

ফটোশপের জন্যঃ-

Photoshop  One-on-One Series with Deke McClelland
আর যদি অল্পতেই শিখতে চান তাহলে এটা
Photoshop CS6 Essential Training

>>এই ৭টি ওয়েবসাইট থেকে ইনকাম করা যায় ছোট ছোট কাজ করে

ইলাস্ট্রেটরের জন্যঃ-

  1. Illustrator CS6 One-on-One: Fundamentals
  2. Illustrator CS5 One-on-One: Advanced
  3. Illustrator CS5 One-on-One: Mastery
আর যদি অল্পতেই শিখতে চান তাহলে এটা
Illustrator CS6 Essential Training
উপরের সবগুলো যখন শেখা শেষ হবে তখন প্র্যাক্টিসের জন্য অবশ্যই এই টিউটোরিয়ালটা শেষ করবেন।
Deke's Techniques
আর হ্যা এসব দেখার সাথে সাথে এক্সারসাইজ ফাইল দিয়ে নিজে নিজে প্র্যাক্টিস করতেও ভুল করবেন না। সব দেখে শেষ করতে সময় লাগবে অনেক।
এবার কথা হলো এই টিউটোরিয়ালগুলোর ডাউনলোড লিঙ্ক কোথায় পাবেন? গুগলে সার্চ করলে অনেক ডাউনলোড লিঙ্ক পাবেন কিন্তু সমস্যা হলো সবগুলা লিঙ্কই বিভিন্ন প্রিমিয়াম সার্ভারের।

আরো জানতে পড়ুন... এখানে 

আপনিও করতে পারেন লাখ টাকা ইনকাম (অ্যামাজন এফিলিয়েট মার্কেটিং এর ধারনা) গ্রাফিক ডিজাইনার হয়ে লাখ টাকা ইনকাম করুন 

এস ই ও বা সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন এর যত অজানা তথ্য
Don't Miss
© all rights reserved.
Made with by Science Tech BD