Responsive Ad Slot

Showing posts with label খবর. Show all posts
Showing posts with label খবর. Show all posts

যৌনপেশায় জড়িয়ে যাওয়ার বর্ণনা দিলেন বিশ্ববিদ্যালয় এক ছাত্রী! বিস্তারিত পড়ুন...

No comments

Saturday, 16 May 2020

ভিডিও দেখুন... 

এ দেশের একটি নামকরা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী কিভাবে জড়িত হলেন যৌনপেশা বা কলগার্ল সার্ভিসে। নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারে জন্ম নেয়া মেয়েটি এইসএসসি পাশের পর যখন প্রস্তুতি নিচ্ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির তখনই তার বাবা তাদের সংসারের একমাত্র অ’বলম্বন ছোট্ট ব্যবসাটি চরম লোকসানে পড়ে। সঙ্গে কপাল পুড়ে পুরো পরিবারের।এরপর থেকে বিভিন্ন প্র’ক্রিয়াতে মেয়েটিকেই হাল ধরতে হয় পুরো পরিবারের। আর এক পর্যায়ে প্র’তারক চ’ক্রের খ’প্পরে পড়ে সে হারায় তার সম্ভ্র’ব, তার স’র্বস্ব। এরপর শুরু হয় এক নতুন জীবন, চলতে থাকে অ’ন্ধকারের জগতে তার পথচলা।পরিবারের সংকট থাকার কারণে বিভিন্ন যায়গায় চাকরি খোঁজ করেন।

আবার জবস বি’জ্ঞাপন দেখে বিভিন্ন জায়গায় চাকরির জন্য আবেদন করেন। বেশির ভাগ যায়গায় কাজের অভিজ্ঞতা চায় কিন্তু তার কোন অ’ভিজ্ঞতা নেই। পরিবারের সং’কট আবার বি’শ্ববিদ্যালয় ভর্তি হতে হবে। হতাশার মধ্যেই দিন কাটছে তার। এরই মধ্যে গু’লশানে একটি অফিসে ভাইবা দেয়ার জন্য ডাকা হয় এই শি’ক্ষার্থীকে। কয়েকদিন পর ফের ভাইবা দেওয়ার জন্য তাকে ডাকা হয়। অ’তঃপর তাকে বলা হয় তাদের অফিসার আছে ভাইবা দেয়ার জন্য ওখানে নিয়ে যাওয়া হবে।এই ত’রুণী বলেন, আমাকে কোথায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল আমি বুঝে উঠতে পারছিলাম না।
কিন্তু জায়গাটা হচ্ছে হোটেল রেডিসন। এটা কোন অফিস মনে হচ্ছিল না। অনেকক্ষণ পরে একজন লোক আসলো তাকে অফিসারের মতোই মনে হচ্ছিল। দেখতে পেলাম আমাকে জিনি নিয়ে গেলেন তার হাতে অফিসারের মতো যেই লোকটা কিছু টাকা ধরিয়ে দিলেন। তখন আমার মনে একটু খটকা লাগলো। ওনাকে কেন টাকা ধরিয়ে দিচ্ছেন। তখন আমি একটু ভয়ও পেলাম। কখনোতো এরকম প’রিস্থিতিতে পড়িনি। আমাকে জেনে নিয়ে গেলেন উনি আমার নিকটে আসলো।

তাকে জি’জ্ঞেস করলাম ইন্টারভিউ কি হবে? উনি টাকা দেখিয়ে বললো বুঝতে পেরেছো তুমি? আমি বললাম কি বুঝতে পারবো? তখন উনি বলল বাকিটা তোমার কাজ। তখন আমি কি করবো কিছু বুঝতে পারছিলাম না। তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না যে আমি কি করবো? আমি কি চলে যাবো নাকি চি’ৎকার করবো। উনি বললো কাজটা তোমাকে করতে হবে। ওনাকে সময় দিতে হবে।
‘কাউকে সময় দেয়া মানে কি এটা আমি বুঝতে পারলাম। তখন আমি তাকে বললাম এটা আমার পক্ষে কখনোই সম্ভব নয়। আমি এটা পারবোনা, আমি কি করে সময় দিব? আমাকে যেই লোকটা ওখানে নিয়ে গেলেন তিনি আমাকে বললেন তোমার যদি চাকরিটা দরকার হয়, যদি চাকরিটা করতে চাও তাহলে মনে হয় কাজটা করা দরকার। আবার হু’মকি দিয়ে বলেছিলো এই কাজটা না করলে কোন কাগজ ফেরত দেয়া হবে না। এ কথা বলে ওই লোকটা চলে গেলে। তখন আমি বুঝতে পারছিলাম না কি করবো। অফিসার এর মত দেখতে লোকটা আমার সামনে বসে আছেন।

তখন আমি ভাবলাম আমার লেখাপড়া করা দরকার, ছোট ভাই, বোন, বাবা-মা আছেন। আমার তখন মনে হলো আমি যদি তাদের দিকে হাত বারাই যদি স’হোযোগিতা করি তাহলে তারা ভালো থাকবে। ওই লোকটা আমার সামনে আসলেন তিনি বললেন এখান থেকে বের হওয়া যাবে না। তখন আমি তাকে অনেক রি’কোয়েস্ট করলাম বলেছিলাম আমাকে এখান থেকে যেতে দেন, কি’ন্তু উনি আমার কোন কথাই শোনেন নি। উনি আমাকে অনেক জোর করেছেন।’বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া শি’ক্ষার্থী বলেন, তখন যা হওয়ার তা তো হয়েই গেল। কি পরিমাণ টাকা তাকে প’রিশোধ করেছিলো জানতে চাইলে তিনি বলেন, দশ হাজারের মতো ছিলো। তখন আমি বাসায় গিয়ে একেবারে ভে’ঙে পরি। নিজেকে অনেক অ’পরাধী মনে হয়।
কোন জিনিসে আমার মন বসছিলো না। কারো কাছে বলতেও পারছিনা, বলার কোন বিষয়ও না। আম্মা জানতে চেয়েছিলেন কি হয়েছে, কিন্তু এর কোন উত্তর আমি দিতে পারি নি। তখন নিজেকে সা’ন্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করি। যে যা হওয়ার তাতো হয়েই গেছে। অতঃপর এই টাকা দিয়েই বিশ্ব’বিদ্যালয় ভ’র্তি হই। পাশাপাশি বইপত্র যা যা প্রয়োজন সব কিছু ক্র’য় করি।

তিনি বলেন, আমার মনে হয়েছিল আমি কেন মরে যাবো। আমাকে বাচে থাকতে হবে। ওরা বলেছিলো মাসে তিনটা কাজ করতে হবে।‘কিছুদিন যাওয়ার পর অ’ন্ধকার জগতে কাজ করে এমন একটা গ্রু’পে এ্যাড হলাম। এই গ্রু’পের যিনি এ্যাডমিন ছিলেন তিনি কারো কাছ থেকে কোন বিনিময় নেয় না। তিনি কাজ যোগাড় করে দেয়। এভাবেই অ’ন্ধকার জগতে প্রবেশ করি। একসময় আমি বুঝতে পারি কিভাবে যোগাযোগ করতে হয়।
কিভাবে নিজেকে হাইড রাখতে হয়।এ কাজ করতে গেলে কখনো নিজেকে অ’পরাধী মনে হয় কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সব সময় মনে হয়, আবার মাঝে মাঝে মনে হয় না।টাকা পয়সা আর প্যা’কেজের বিষয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, টাকা পয়সার বিষয় হচ্ছে যারা আসে তাদের অ’বস্থা বুঝে। যার অর্থ’নৈতিক অবস্থা একটু ভালো সে হয়তো একটু বেশি দিচ্ছে।কিভাবে যোগাযোগ হয় জানতে চাইলে তিনি বলেন, গ্রুপে পোস্ট দেই, ক’ন্টাক্টটা ইনবক্সে হয়।

তার পর ফোনের মাধ্যমে ক’ন্টাক্ট করা হয়। যায়গাটা কিভাবে নি’র্ধারণ করা হয় এ বিষয়ে তিনি বলেন, আমাদের গ্রু’পের অনেকে আছে যারা পরিবার সহ থাকে। ওখানে যাওয়া হয়, কিন্তু যায়গা গুলো অনেক নি’রাপত্তার। কেউ ঝামেলা করবে এমন কোন সমস্যা নেই। গেস্ট হিসেবে যাই। আসার সময় আমার যা আয় হয়, এখান থেকে দুই বা তিন হাজার তাদের দিয়ে আসতে হয়।
এখানে কারা আসে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বেশির ভাগ হচ্ছে সরকারি চাকরিজীবী, বে-সরকারি চাকরিজীবী আবার অনেক স্টু’ডেন্টও আসে। স্টু’ডেন্টদের কাজ আমি একটু কম করি। কারন আমি নিজেও একজন স্টুডেন্ট এজন্য তাদের কাজ আমি করি না। বেশির ভাগ ৩৫ বছরের উপরে লোকজন বেশি আসে।
এপর্যন্ত আপনি কতজনের সাথে মিট করেছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৩৫ থেকে ৪০ জনের মতো হবে। ঢাকার ভি’তরেই কাজ গুলো করা হয়। ছয় থেকে আট হাজার টাকা ক’ন্টাক্ট হয়। অনেকে থাকার পরে বলে ভুত থেকে টাকাটা তুলে দিচ্ছি। দেখা যায় তার আর খোঁজ খবর নেই। আবার অনেকে টাকা কম দিয়ে যায়। বলছে পরবর্তীতে দিব। পরবর্তীতে অনেকে দিয়ে দেয়, আবার অনেকে দেয় না।

আমি এখান থেকে বের হতে চাই। লেখাপড়া শেষ করে চাকরি করতে চাই। আমি জানিনা এখান থেকে সমাজ আমাকে কিভাবে বের করবে, কিন্তু আমি এখান থেকে বের হতে চাই। উ’ল্লেখ্য, সম্প্রতি দেশের বেসরকারি সময় টেলিভিশন-এ সংবাদটি প্রকাশিত করা হয়। সেই আলোকেই আমাদের এই প্র’তিবেদনটি করা হয়েছে।
আবার অনেকে বাজে ব্যা’বহার করে। মনে হয় আমরা কোন মানুষ না। আমাদের সাথে মানুষের আচরণ করে না। এটা কোন জীবন হতে পারে কি না জানিনা। এটা আসলে কোন লাইফ না। আমি চাই এখান থেকে প্রতিনিয়ত বের হতে। আমি চাই আরও পাঁচটা মানুষ যেভাবে থাকে আমিও সেভাবে থাকি।এই শিক্ষার্থী বলেন, আমি এ জীবন চাই না।

করোনা পরিক্ষার নামে ঘরে ঢুকে কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ।

No comments
https://zee.gl/CF21nc

করোনা তল্লাশির কথা বলে পুলিশ পরিচয়ে ঘরে প্রবেশ করে এক কিশোরীকে তুলে নিয়ে গণধর্ষণ করেছে ৫ বখাটে।


শনিবার দিবাগত রাত ৩টার দিকে জামালপুরে সদর উপজেলার মেষ্টা ইউনিয়নে পাশবিক ঘটনাটি ঘটে।খোঁজাখুজির পরদিন রোববার সকালে ঝিনাই নদীর ওপারে জঙ্গলে আহত অবস্থায় কিশোরীকে উদ্ধার করে স্থানীয়রা।


ওইদিন দুপুরে কিশোরীকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার তার ডা’ক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে।


ধর্ষণের শিকার কিশোরীর বাবা জানায়, শনিবার রাত ৩টার দিকে করোনা ভাইরাসের জন্য পুলিশ পরিচয়ে তল্লাশি করতে দরজা খুলতে বলে।


দরজা খুলে দেখি ৫/৬ জনের দল। প্র’থমে তারা পানি খেতে চায়। পানি এনে দিলে আমার মেয়ের হাত ধরে জোর- জবরদস্তি শুরু করে।

বাধা দেয়ায় গলায় ধারালো ছুড়ি ধরে মারধর করে তাকে কোলে তুলে নিয়ে যায় তারা। সেখানে ৫ জ’ন মিলে ধর্ষণ করে ফেলে রেখে যায়।ওসি সালেমুজ্জামান আরো জানান, কিশোরীর বাবা বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলা দায়ের করেছে।
মিজান নামে এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। সোমবার কিশোরীর ডাক্তারি পরীক্ষা সম্পন্ন করা হবে।
জামালপুরের পুলিশ সুপার দেলোয়ার হোসেন এ প্রসঙ্গে বলেন, বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। দেশের এই দুঃ’সময়ে পুলিশের নাম ব্যবহার করে করোনা তল্লাশি নামে অপরাধীরা এই ধরনের অপরাধ করছে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

যারা পাচ্ছেন সরকারি এই নগদ ২৫০০ টাকা! বিস্তারিত পড়ুন..

1 comment

করোনা ভাইরাসেের কারণে সারাদেশের ক্ষ’তিগ্রস্ত ৫০ লাখ দরিদ্র পরিবারকে এককালীন আড়াই হাজার টাকা করে দেয়ার জন্য এক হাজার ২৫৭ কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ ম’ন্ত্রণালয়।
সোমবার অর্থ ম’ন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগের দুই শাখা থেকে এ অর্থ ছাড় করা হয়েছে। আগামী ১৪ মে এ টাকা দেয়ার কার্যক্রম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্বোধন করার কথা রয়েছে।
বিতরণ শুরু হওয়ার পর চলবে ঈদুল ফিতরের আগ পর্যন্ত। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে। অর্থ বিভাগের বাজেট-১ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬২৭ কোটি টাকা, আর বাজেট-৩ শাখা থেকে ছাড় করা হয়েছে ৬৩০ কোটি টাকা।
এসব টাকা সুবিধাভোগীদের মোবাইল ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠানোর জন্য সার্ভিস চার্জ বাবদ ছাড় করা হয়েছে আরও সাত কোটি টাকা।
এ বি’ষয়ে জানতে চাইলে অর্থ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. হাবিবুর রহমন বলেন, ‘আজকে অর্থছাড় করা হয়েছে।
আগমী ১৪ তারিখ প্রধামন্ত্রী উদ্বোধনের পর ১০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে। এর পরবর্তী চার দিন ৪০ লাখ পরিবারকে এ অর্থ দেয়া হবে।
জানা গেছে, উদ্যোগটির সঙ্গে জ’ড়িত প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, দু’র্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ ম’ন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ। আর পরিবার চিহ্নিত করা হয়েছে স্থানীয় স’রকার অর্থাৎ জে’লা প্রশাসন, উপজে’লা প্রশাসন ও ইউনিয়ন পরিষদের সাহায্যে।
তালিকায় রিকশাচালক, ভ্যানচালক, দিনমজুর, নির্মাণ শ্রমিক, কৃষি শ্রমিক, দোকানের কর্মচারী, ব্যক্তি উদ্যোগে পরিচালিত বিভিন্ন ব্যবসায় কর্মরত শ্র’মিক, পোলট্রি খামারের শ্রমিক, বাস-ট্রাকসহ পরিবহন শ্রমিক, হকারসহ নানা পেশার মানুষকে রাখা হয়েছে।
তালিকা করার প্রক্রিয়া নিয়ে জানতে চাইলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জে’লা প্রশাসক হায়াত খান জানান, তার জে’লায় নগদ টাকা পাবে ৭৫ হাজার পরিবার। আর তালিকা করার কাজটি করেছে একটি কমিটি। ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, সদস্য, সমাজের গণমান্য ব্যক্তি ও প্রশাসনের ব্যক্তিদের সমন্বয়ে গঠিত এ কমিটি প্রায় এক মাস ধরে তালিকাটি তৈরির কাজে যুক্ত ছিল। একইভাবে পৌরসভা পর্যায়ে ওয়ার্ডভিত্তিক কমিটি কাজ করেছে।
অর্থ ম’ন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, পরিবারগুলোকে টাকা দেয়া হবে মূলত মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে। এর মধ্যে রয়েছে বিকাশ, রকেট, নগদ এবং শিওরক্যাশ। অর্থাৎ নগদ সহায়তা হলেও কাউকে নগদে টাকা দেয়া হবে না। এ ক্ষেত্রে এমএফএসে বড় আকারের ভর্তুকি দিতে হচ্ছে স’রকারকে।
টাকা পৌঁছানোর জন্য এমএফএসগুলো পাবে প্রতি হাজারে মাত্র ছয় টাকা। হাজারে ছয় টাকা হিসাবেই পৌঁছানোর মোট খরচ দাঁড়ায় সাড়ে সাত কোটি টাকা। এ টাকা স’রকার বহন করবে।
পরিবারগুলোর কোনো টাকা দিতে হবে না। এ কারণে খরচের জন্য আলাদাভাবে সাত কোটি টাকা ছাড় করেছে অর্থ ম’ন্ত্রণালয়।
মোট ৫০ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠানোর কাজের মধ্যে বিকাশের ভাগে রয়েছে ১৫ লাখের দায়িত্ব। সবচেয়ে বেশি ১৭ লাখ পরিবারের কাছে টাকা পাঠাবে নগদ। বাকি ১৮ লাখ পরিবারের কাছে এ টাকা পৌঁছাবে রকেট ও শিওরক্যাশ।

বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ : বরিশালে দুই স্কুলছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা

No comments

Friday, 15 May 2020


বরিশালের বাকেরগঞ্জ ও উজিরপুর উপজেলায় বিয়ের প্রলোভনে দুই স্কুলছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। এতে ওই দুই ছাত্রী অন্তঃসত্তা হয়েছে। পৃথক এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর থানা পুলিশ দুই ধর্ষককেই গ্রেফতার করেছে।
শুক্রবার সকালে এজাহারের বরাত দিয়ে বাকেরগঞ্জ থানার ওসি আবুল কালাম জানান, উপজেলার পাদ্রীশিবপুর ইউনিয়নের সোনার বাংলা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এসএসসি’র ফলপ্রত্যাশী এক কিশোরীকে প্রথমে জোরপূর্বক ও পরে বিয়ের প্রলোভনে একাধিকবার ধর্ষণ করে একই গ্রামের মৃত সেকান্দার আলী মৃধার পুত্র ফজলুর রহমান (৪৫)। এতে ওই স্কুলছাত্রী সাত মাসের অন্তঃস্বত্তা হয়ে পরে। গত ১০ মে ধর্ষক ফজলুর রহমান নিজেকে রক্ষা করার জন্য ওই কিশোরীর অবৈধ গর্ভপাত ঘটাতে জোরপূর্বক তাকে ওষুধ সেবন করিয়ে দেন। এতে মেয়েটি অসুস্থ হয়ে পড়লে ১২ মে বাকেরগঞ্জ উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই কিশোরী একটি কন্যা সন্তান প্রসব করে। পরে মা ও সদ্য নবজাতকের শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাদের দুজনকেই বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়। পথিমধ্যে নবজাতক কন্যা সন্তানটি মারা যায়। অসুস্থ কিশোরী বর্তমানে শেবাচিম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
এ ঘটনায় ওই কিশোরীর পিতা বৃহস্পতিবার বিকেলে ফজলুর রহমান মৃধাকে আসামি করে থানায় মামলা দায়ের করেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে থানা পুলিশ ওই দিনই অভিযান চালিয়ে স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ ও নবজাতক হত্যার অভিযোগে দায়েরকৃত মামলার আসামি ফজলুর রহমান মৃধাকে গ্রেফতার করেছে।
অপরদিকে শুক্রবার দুপুরে উজিরপুর মডেল থানার ওসি জিয়াউল আহসান এজাহারের বরাত দিয়ে জানান, বিয়ের প্রলোভনে উপজেলার শোলক ইউনিয়নের কচুয়া গ্রামের ইদ্রিস বালীর পুত্র দ্বাদশ শ্রেণীর ছাত্র শাহজালাল মৃধা আগুন (২১) একই বাড়ির অস্টম শ্রেণীতে পড়ুয়া ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করেন। এতে ওই ছাত্রী অন্তঃসত্ত্বা হয়। ওই ছাত্রী বিয়ের জন্য আগুন মৃধাকে চাপ প্রয়োগ করলে সে নানা টালবাহানা শুরু করে ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য গর্ভপাতের চেষ্টা করে। বিষয়টি ছাত্রীর মা জানতে পেরে থানায় মামলা দায়ের করেন। পুলিশ অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত ধর্ষককে গ্রেফতার করেছে।

গৃহবধূকে ধর্ষণ
গৌরনদী উপজেলার খাঞ্জাপুর ইউনিয়নের বাদুরতলা গ্রামের এক গৃহবধূকে (৩৫) জোরপূর্বক ধর্ষণের ঘটনায় ধর্ষক পান্নু তালুকদারকে (৪৫) আসামি করে থানায় ধর্ষণ মামলা দায়ের করা হয়েছে।
শুক্রবার সকালে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও গৌরনদী থানার এসআই আরিফুল ইসলাম জানান, ধর্ষণের ঘটনায় নির্যাতিতা গৃহবধূ বাদি হয়ে মামলা দায়ের করেছেন। আসামিকে গ্রেফতারের জন্য পুলিশের অভিযান চলছে। নির্যাতিতা গৃহবধূ জানান, প্রতিবেশী কাদের তালুকদারের পুত্র পান্নু তালুকদার তাকে প্রায়ই কু-প্রস্তাব দিয়ে আসছিল। গত মঙ্গলবার দিবাগত রাত আটটার দিকে লম্পট পান্নু মুখ চেপে জোরপূর্বক তাকে ধর্ষণ করে।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

হাসপাতালে চিকিৎসকের হাতে তরুণী ধর্ষণ

No comments




দিনাজপুর: দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ এনে কোতোয়ালি থানায় মামলা দায়ের করেছেন ৩০ বছর বয়সী এক তরুণী।
মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় দিনাজপুর কোতোয়ালি থানায় ওই তরুণী বাদি হয়ে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ডা. নরদেব রায়ের (৩৩) বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। 
মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) বজলুর রশিদ।
ধর্ষণের অভিযুক্ত দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ওই চিকিৎসক হলেন পঞ্চগড়ের দেবীগঞ্জ উপজেলার প্রেমবাজার এলাকার মনোরঞ্জন রায়ের ছেলে ডা. নরদেব রায়।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, দিনাজপুরের বিরল উপজেলার কাশিডাঙ্গা এলাকার বাসিন্দা ওই তরুণী বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা করা অবস্থায় এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. নরদেব রায়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠে। দীর্ঘ দুই বছর প্রেমের সম্পর্কের কারণে ওই চিকিৎসক একাধিকবার বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ওই তরুণীকে হাসপাতালের আবাসিক কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। 
ওই তরুণী এজাহারে উল্লেখ করেন, প্রেমের সম্পর্কের কারণে এবং বিয়ে করবে এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে আমাকে একাধিকবার ডা. নরদেব রায় তার নিজস্ব কোয়ার্টারে নিয়ে গিয়ে ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করেন। আমি বিয়ের করার কথা বললে আজকাল করে কালক্ষেপণ করতে থাকেন।
সর্বশেষ গত রোববার (১০ মে) আমাকে ডা. নরদেব রায় মোবাইল ফোনে কল করে দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজের আবাসিক এলাকার একটি কোয়ার্টারের ৪র্থ তলায় আসতে বলেন। সরকারি কোয়ার্টারে দুপুর ২টার সময় আমি ডা. নরদেব রায়ের কাছে যাই। সেখানে গিয়ে আমি কিছুটা সময় কাটানোর পর ডা. নরদেব রায়কে বিয়ের কথা বললে তিনি আমাকে বিভিন্ন কারণে বিয়ে করতে অনীহা প্রকাশ করেন। এক পর্যায়ে সন্ধ্যা ৬টার দিকে কোয়ার্টারের রুম থেকে আমাকে বের করে দিতে চাইলেও আমি বের হইনি। পরে ডা. নরদেব রায় আমাকে কিল-ঘুষি মেরে কোয়ার্টার থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। আমি ঘর থেকে বের না হতে চাইলে তিনি নিজেই ঘরে তালা লাগিয়ে পালিয়ে যান। ওইদিন রাত ১২টার দিকে কোনো উপায় না পেয়ে আমি সরকারি সেবার ৯৯৯ নাম্বারে কল করে পুলিশের সহযোগিতা চাই। পরে পুলিশ এসে রাতেই আমাকে ঘটনাস্থল থেকে উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে। 
ধর্ষণের বিষয়টি জানার জন্য ডা. নরদেব রায়কে ফোন করা হলে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। ওই চিকিৎসকের বড় ভাই পঞ্জগড় মহিলা কলেজের প্রভাষক জয়দেব বর্মন বলেন, ‘এটা একটা সাজানো ফাঁদ। আমার ভাই একটা চক্রান্তের মধ্যে পড়ছে। ধর্ষণের বিষয়টি ভিত্তিহীন ও মিথ্যা। ওই মেয়ের সঙ্গে আমার ভাইয়ের কোন সম্পর্ক নেই।’
এ বিষয়ে দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বজলুর রশিদ জানান, একজন চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা হয়েছে। বর্তমানে তিনি পলাতক আছেন। মেয়েটিকে পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য দিনাজপুর এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে এম আব্দুর রহিম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পরিচালক ডা. নির্মল চন্দ্র দাস বলেন, ‘মামলার বিষয়টি জেনেছি। তবে পুলিশ অথবা উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ যদি আমাদের কাছে লিখিতভাবে কিছু জানতে চায় তাহলে আমরা জানাব।’

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

দুধ আনতে যাওয়ার পথে স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণ

No comments

ঝিনাইদহের হরিণাকুণ্ডুতে এক স্কুলছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে রোববার (৩ মে) রাতে ফুলছদ্দিন (৪০) নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।
অভিযুক্ত ফুলছদ্দিন উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের শরাফত আলীর ছেলে। ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রী বলে জানা গেছে।

ওই স্কুলছাত্রীর বাবা জানান, গত ২০ এপ্রিল দুপুরে তার মেয়ে পাড়ায় দুধ আনতে যাওয়ার পথে ওই গ্রামের বুমারখালের ধারে পৌঁছালে ফুলছদ্দিন তাকে ধরে খালের মধ্যে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি লোকলজ্জার ভয়ে তার মেয়ে পরিবারের কাউকে জানায়নি। তিনি এলাকার মানুষের মাধ্যমে ঘটনাটি জানতে পেরে ফুলছদ্দিনের সঙ্গে কথা বললে সে বিষয়টি কাউকে না বলার জন্য হুমকি দেয়। ফুলছদ্দিন এলাকার প্রভাবশালী হওয়ায় তারা বিষয়টি মীমাংসার জন্য তাকে নানাভাবে চাপ দেন।
হরিণাকুণ্ডু থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) এনামুল হক বলেন, ভুক্তভোগী ওই ছাত্রীর বাবা মামলা করেছেন। দ্রুতই আসামিকে গ্রেফতার করা হবে।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে নিজ স্বামীকে দিয়ে ধর্ষণ করালেন আ.লীগ নেত্রী

No comments

Wednesday, 13 May 2020


https://zee.gl/CF21nc
সিলেটের জৈন্তাপুরে লিডিং ইউনিভার্সিটির আইন বিভাগের এক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের দৃশ্য মুঠোফোনে রেকর্ড করার অভিযোগে অভিযুক্ত খালু ও খালাকে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-৯।
গ্রেফতার সুমি বেগম (৩০) নির্যাতিত ছাত্রীর সম্পর্কে খালা জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের মহিলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও তার স্বামী কয়েছ আহমদ (৩৫) জৈন্তাপুর উপজেলার নিজপাট ইউনিয়নের কমলাবাড়ী মোকামটিলা এলাকার রেনু মিয়ার ছেলে।

জৈন্তাপুর পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সিলেটের বেসরকারি লিডিং ইউনিভার্সিটি বন্ধ থাকায় ওই তরুণী বর্তমানে জৈন্তাপুরে নিজ বাড়িতে রয়েছেন। খালা সুমি বেগম প্রায়ই ওই ছাত্রীকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে নানা গল্প করতেন। গত ২ মে ইফতারের দাওয়াত দিয়ে ওই তরুণীকে নিজের বাড়িতে নিয়ে যান সুমি। ইফতার শেষে রাত ৮টার দিকে সুমি বেগম ওই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রীকে চায়ের সাথে ঘুমের ও নেশা জাতীয় ওষুধ মেশিয়ে খেতে দেন। চা খেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন তরুণী। এরপর সুমি বেগমের সহায়তায় তার স্বামী কয়েছ আহমদ ভিকটিমকে ধর্ষণ করে এবং সুমি বেগম মুঠোফোনে ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করেন।
পরে চেতনা ফিরে আসলে চিৎকার করে ওঠেন তরুণী ওই ছাত্রী। এসময় কয়েছ আহমদ তার মুখ চেপে ধরেন।

পুলিশ জানায়, পুরে ওই তরুণীর বাবা এসে তাকে উদ্ধার করে নিয়ে যান এবং আত্মীয়-স্বজনের পরামর্শে সিলেট এম.এ.জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করেন।
পরে গত ৪ মে এই বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রী নিজে বাদী হয়ে জৈন্তাপুর থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ ও নারী এবং শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ২০। মামলার পরিপ্রেক্ষিত র‍্যাব -৯ এর একটি দল গত শুক্রবার (৮ মে) মধ্যরাতে জৈন্তাপুরের কমলাবাড়ি মোকামটিলা এলাকায় অভিযান চালিয়ে কয়েছ আহমদ ও তার স্ত্রী সুমি বেগমকে আটক করে।

জৈন্তাপুর মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শ্যামল বনিক জাগো নিউজকে বলেন, আসামিরা এ অপরাধের কথা স্বীকার করেছে। আমরা তাদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়েছি।আসলে সুমি বেগম ধর্ষণের শিকার ছাত্রীর দৃশ্য মুঠোফোনে রেকর্ড পর্নো ভিডিও তৈরি করতে চেয়েছিলেন। আদালত তাদের স্বামী-স্ত্রীকে জেল হাজতে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ করল বৃদ্ধ

No comments

গাইবান্ধা সদর উপজেলায় পঞ্চম শ্রেণির এক ছাত্রীকে (১০) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় আব্দুস ছাত্তার (৬০) নামে এক বৃদ্ধকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।
মঙ্গলবার (১২ মে) বিকেলে সদর উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের ডাকুয়া গ্ৰামে এ ঘটনা ঘটে। গ্রেফতার আব্দুস ছাত্তার উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের ডাকুয়া গ্ৰামের মৃত মফিজ উদ্দিনের ছেলে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী জানায়, উপজেলার কুপতলা ইউনিয়নের ডাকুয়া গ্রামের আব্দুস ছাত্তার ডাকুয়ার কুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রীকে নির্জন ঘরে নিয়ে ধর্ষণ করে। ধর্ষণের কথা গোপন রাখতে ছাত্রীকে ভয়ভীতি দেখান ওই বৃদ্ধ। বিষয়টি জানাজানি হলে স্থানীয়রা পুলিশকে খবর দেয়। পুলিশ এসে অভিযুক্ত আব্দুস ছাত্তারকে গ্রেফতার করে। সেই সঙ্গে স্কুলছাত্রীকে গাইবান্ধা আধুনিক হাসপাতালে পাঠায় পুলিশ।
গাইবান্ধা সদর থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান মোহাম্মদ শাহরিয়ার বলেন, ধর্ষক আব্দুস ছাত্তারকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

কলেজ পড়ুয়া স্ত্রীকে কুপিয়ে হত্যা করলেন স্বামী

No comments
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে কলেজ পড়ুয়া স্ত্রী স্বামীর ছুরিকাঘাতে প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনায় নিহতের মা-সহ আরো দুইজন মারাত্মক আহত হন। বুধবার (১৩ মে) রাতে উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই ঘাতককে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে এলাকাবাসী। নিহত গৃহবধূ তানজিলা আক্তার রিতু এবারে গৃদকালিন্দিয়া হাজেরা হাসমত কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষার্থী ছিলেন।

স্বজন ও পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার বিকেলে লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার শায়েস্তানগরের বাড়ি থেকে  স্বামী আল মামুন মোহন (২৮) শ্বশুরবাড়িতে যান। ইফতারের পর পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্ত্রী তানজিলা আক্তার রিতু (১৯)র সঙ্গে কথা কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে উত্তেজিত স্বামী মোহন স্ত্রী রিতুকে উপর্যুপরি ছুরিকাঘাত করতে থাকে। ঘটনা দেখে শ্বাশুড়ি পারভিন আক্তার এবং শ্যালক প্রান্ত এগিয়ে আসেন। এসময় ক্ষিপ্ত মোহন তাদেরকেও ছুরিকাঘাত করে। এতে তিনজন গুরুতর আহত হলে তাদের ফরিদগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে রিতু মারা যান। এদিকে, গুরুতর আহত শ্বাশুড়ি পারভিন আক্তার (৪০) ও শ্যালক প্রান্ত (১০) কে উন্নত চিকিৎসার জন্য চাঁদপুর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

ঘটনার পরপর এলাকাবাসী ঘাতক জামাতা মোহনকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে জনতা। সংবাদ পেয়ে ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। এসময় তার সঙ্গে থাকা উপপরিদর্শক কাজী জাকারিয়া নিহতের লাশ উদ্ধার করেন।

খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলার শায়েস্তানগর গ্রামের মমতাজ উদ্দিন মাস্টারের ছেলে আল মামুন মানিক গত তিনবছর আগে পাশের উপজেলা ফরিদগঞ্জ উপজেলার গৃদকালিন্দিয়া এলাকার সেলিম খানের মেয়েকে বিয়ে করেন। পরে মোহন সৌদি আরব চলে যান। সেখানে দেড় বছর বেকার থেকে গত কয়েক মাস আগে দেশে ফিরেন। নিহত রিতুর বাবা সেলিম খান নিজেও সৌদি আরব থাকেন। সেখানে তিনি এখন করোনায় আক্রান্ত।


ফরিদগঞ্জ থানার ওসি আবদুর রকিব জানান, মূলত স্বামী এবং স্ত্রী পরস্পরকে সন্দেহের চোখে দেখতো। এই নিয়ে তাদের মধ্যে প্রায়ই কলহ লেগে ছিল। সে কারণে বুধবার রাতে কথা কাটাকাটির জের ধরে এই হত্যাকান্ড ঘটে। রাতেই পরিবারের পক্ষ থেকে থানায় মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে জানান ওসি।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

সামনে কি আমাদের ভয়াবহ সময়?

No comments

Tuesday, 12 May 2020

বাংলাদেশে করোনা সংকট ভয়াবহ দিকে মোড় নিতে পারে অদূর ভবিষ্যতে। আর সে ভয়াবহতা যে কতটা ভয়ংকর হতে পারে, তা পরিসংখ্যান অনুযায়ী চিন্তা করলে শিউরে না উঠে উপায় নেই। আল্লাহর গায়েবি মদদ ছাড়া এক ভয়ংকর সময় অপেক্ষমাণ বাংলাদেশের জন্য।

ইউরোপ ও আমেরিকার দিকে তাকালে বোঝা যায় করোনা ফ্যাটালিটিসের প্রারম্ভিক পর্যায়ে রয়েছে বাংলাদেশ। ধীরে ধীরে তা পিকের দিকে যাবে। এ পর্যায়ে দেশে প্রতিদিনের হিসাবে গড়ে ৭০০-৮০০ লোক আক্রান্ত হচ্ছে আর গড়ে ১০ জনের মতো মারা যাচ্ছে (এ লেখার সময়, ৯ মে, ২৪ ঘণ্টায় সরকারি হিসাবে ৬৩৬ জন আক্রান্ত ও ৮ জন মারা গেছেন)। এটা পৃথিবীর অনেক দেশের তুলনায় কিছুই না। আমেরিকায় প্রতিদিন আক্রান্ত হয় গড়ে হাজার তিরিশেক, রাশিয়ায় ১০-১২ হাজার, ইউকেতে এখনও এই সংখ্যা ৫-৬ হাজার। তাই আত্মতৃপ্তিতে ভোগার বা এই মহামারীকে underestimate করা মোটেই ঠিক হবে না।
বাংলাদেশে ৬ মে পর্যস্ত হিসাব অনুযায়ী মোট ১,১১,৪০২ টেস্টের বিপরীতে করোনা পজিটিভ হয়েছে ১৩,১৩৪ জনের, যা ১১.৯৩ শতাংশ। তা-ও এটা সরকারি হিসাব, বেসরকারি হিসাব যে কত তা আমরা জানি না। এবার একটু দেখে নিই পৃথিবীর অন্যান্য দেশের পরিসংখ্যান, যাদের সবচেয়ে বেশি করোনা আক্রান্ত রোগী।

৬ মে’র হিসাব অনুযায়ী- যুক্তরাষ্ট্রে ৪ মিলিয়ন টেস্টের বিপরীতে ১২,৭৮,৪৮৫ জন পজিটিভ যা মোট টেস্টের ৩১ শতাংশ।
যুক্তরাজ্যের মোট ১.৪ মিলিয়ন টেস্টের বিপরীতে মোট রোগী ২,০১,১০১ যা কিনা ১৪.৩৬ শতাংশ।
স্পেনের ১.৯ মিলিয়ন টেস্টে করোনা ধরা পড়েছে ২,৫৩,৬৮২ জনের, যা শতকরা ১৩.৩৫ ভাগ। ইতালির করা ২.৩ মিলিয়ন টেস্টে করোনা পজিটিভ হয়েছে ২,১৪,৪৫৮ জনের, যা ৯.৩২ শতাংশ।
সবচেয়ে বেশি টেস্ট করা দেশ রাশিয়ায় ৪.৬৩ মিলিয়ন টেস্টে করোনা ধরা পড়েছে ১,৬৫,৯২৯ জনের, যা কৃত টেস্টের ৩.৫৮ শতাংশ।

শতকরা হিসাবের এই trajectoryতে বাংলাদেশকে এর বর্তমান সূচকে ধরলেও (প্রায় ১২ শতাংশ) টেস্ট সংখ্যা যখন ২/৩ মিলিয়ন ছাড়িয়ে যাবে তখন রোগীর সংখ্যা কত হবে, তা সহজেই অনুমেয়। ২ মিলিয়ন টেস্টের বিপরীতে রোগী হবে ২,৪০,০০০; আর ৩ মিলিয়ন ধরলে তা দাঁড়ায় ৩,৬০,০০০ এ। কাজেই এখন (৯ মে’র হিসাব) যদি ২৪ ঘণ্টায় ৫৪৬৫ টেস্টে ৬৩৬ জন রোগী শনাক্ত হয়, যখন দিনে ইউরোপ-আমেরিকার মতো ৬০-৭০ হাজার টেস্ট করা হবে, তখন রোগীর সংখ্যা কী হবে? এ জন্যই তো WHO এটাকে মার্চের ১১ তারিখ মহামারী আকারে ঘোষণা দিয়েই বলেছে, বিশ্বের সব দেশের সবচেয়ে বেশি যেটা করা দরকার তা হল টেস্ট, টেস্ট এবং টেস্ট। আমরা এই টেস্টের দৌড়ে যোজন যোজন পিছিয়ে আছি।
আদৌ এ পরিমাণ টেস্ট করার অ্যাবিলিটি আছে কি না, সেটাও একটা প্রশ্ন। তার মানে unidentified রোগীগুলো ভাইরাস নিয়ে ঘুরে বেড়াবে বা বেড়াচ্ছে যা আরও বেশি ভয়ংকর।

এই বিপুল পরিমাণ জনগোষ্ঠীর চিকিৎসাসেবা দেয়ার মতো অবস্থা কি আমাদের আছে? আছে কি আমাদের সেই পরিমাণ হাসপাতাল বেড? পর্যাপ্ত ICU বেড কি আছে আমাদের হাসপাতালগুলোয়? কিংবা ventilators? কিংবা ইউকের মতো কি বাংলাদেশ পারবে ৯ দিনে ৪০০০ বেডের একটি করোনা হাসপাতাল দাঁড় করাতে? না নেই, এগুলোর কোনোটাই নেই আমাদের। উন্নত দেশগুলোই যেখানে হিমশিম খাচ্ছে, বাংলাদেশের ভয়ংকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা তো একেবারেই collapse করবে। এখনই শুনি কোভিড ছাড়া অন্যান্য জরুরি কেসের রোগীগুলো এক হাসপাতাল থেকে অন্য হাসপাতালে দৌড়াদৌড়ি করে পথেই মারা যাচ্ছে বিনা চিকিৎসায়। কোভিড সমস্যা যখন পিকে পৌঁছবে, তখন কী হবে?

যতবেশি লোক করোনা আক্রান্ত হবে, হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা ততই বাড়বে। হসপিটালাইজেসনের পরিমাণ যত বাড়বে, critical care-এ তত বেশি রোগী যাবে, তত বেশি ventilator support প্রয়োজন হবে। আর সেই সঙ্গে বাড়বে মৃত্যু, এ তো খুবই স্বাভাবিক হিসাব। তবে হ্যাঁ, দেশভেদে পরিসংখ্যান এদিক-ওদিক কিছুটা হবে এটাও ঠিক। আমাদের দেশ গরমের দেশ, এদেশে যুবা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা বেশি বা বয়স্কদের সংখ্যা কম ইউরোপ-আমেরিকার তুলনায়, আমাদের বিসিজি টিকা দেয়া আছে ইত্যাদি ইত্যাদি আমাদের ফেভারে কাজ করবে।

কিন্তু আমাদের disfavour-এ কাজ করবে এমন অনেক কিছুই রয়ে গেছে। সোশ্যাল ডিস্ট্যান্সিং মানার দিক থেকে আমরা যে পৃথিবীর worst জাতিগুলোর অন্যতম, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। লকডাউন চলাকালীন যেসব ঘটনা ঘটেছে এদেশে, তা আমরা সবাই জানি। উন্নত বিশ্বে এগুলো কল্পনারও অতীত। এগুলো দেখে মনে হয় আমার দেশের মানুষ লকডাউন কী আর সামাজিক দূরত্ব কী, সেটাই বোঝে না।
আরও আছে, তা হল আমাদের বিশাল জনগোষ্ঠী। পৃথিবীর অন্যতম জনবহুল দেশ এটি। Worldometer-এর হিসাবে আমেরিকার পরেই করোনায় মৃতের দিক থেকে ইউরোপের যে চারটি দেশ শীর্ষে রয়েছে, সেই ইউকে, ইতালি, স্পেন ও ফ্রান্সের (সম্মিলিতভাবে মৃতের সংখ্যা ১,১৩,০০০-এর অধিক) মোট জনসংখ্যা ২৪ কোটি, সেখানে ছোট্ট একটি দেশ বাংলাদেশ, যার জনসংখ্যা ২০ কোটি। বাংলাদেশের চেয়ে আয়তনে প্রায় ৬৭ গুণ বড় আমেরিকার জনসংখ্যা ৩৪ কোটি। কাজেই সংক্রমণকে অল্পতে রোধ করা না গেলে, দ্রুত মহামারীর পিক স্টেজ অতিক্রম না করতে পারলে এবং জ রেটকে (সংক্রমণের ratio) ১-এর নিচে না নামিয়ে আনতে পারলে বাংলাদেশের মৃত্যুর সংখ্যা যে কোথায় গিয়ে দাঁড়াবে, তা শুধু আল্লাহই জানেন।
কাজেই শঙ্কিত হওয়ার মতো যথেষ্ট কারণ রয়েছে।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

নেত্রকোণায় ধর্ষণ ও খুনের মামলায় ইউপি চেয়ারম্যান আটক

No comments
নেত্রকোণার মোহনগঞ্জে গৃহকর্মীকে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় বারহাট্টা উপজেলার সিংধা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাংস্কৃতিক বিষয়ক সম্পাদক শাহ মাহবুব মোর্শেদ কাঞ্চনকে (৬৮) আটক করা হয়েছে।

 সোমবার রাতে মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকার বাসা থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশ তাকে আটক করে। স্থানীয় বাসিন্দা ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত শনিবার বিকেলে চেয়ারম্যান শাহ মাহমুদ মোর্শেদের মোহনগঞ্জ পৌর শহরের দৌলতপুর এলাকার বাসায় গৃহ পরিচারিকা মারুফার (১৪) অস্বাভাবিক মৃত্যু ঘটে। মারুফা বারহাট্টার সিংধা ভাটিপাড়া গ্রামের মৃত আলী আকবরের মেয়ে। নিহত গৃহকর্মী মারুফা আক্তারের মা আকলিমা আক্তার জানান, ‘আমার মেয়েকে ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে। এর আগেও চেয়ারম্যান আমার মেয়ের সাথে খারাপ আচরণ করেছে।

 বিষয়টি চেয়ারম্যানের স্ত্রীকে জানানো হয়েছে। মারুফার শরীরের আঘাতের চিহ্ন ছিল। আমি ধর্ষণের আলামত দেখেছি। আমি গরিব মানুষ, নিজেও ঢাকায় মানুষের বাসায় কাজ করি। আমি এর বিচার চাই।’ সূত্র জানায়, মোহগঞ্জের ওই বাসায় চেয়ারম্যান ও গৃহকর্মী মারুফা বেশির ভাগ সময় থাকতেন। এ দিকে, পুলিশ ওই দিন মারুফার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোণা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় মারুফার মা আকলিমা সোমবার সন্ধ্যায় বাদী হয়ে থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। পরে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চেয়ারম্যানকে আটক করে। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে মোহনগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আব্দুল আহাদ খানের মুঠোফোনে বেশ কয়েকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তিনি ফোন ধরেননি। তবে মোহনগঞ্জ থানার উপসহকারী পুলিশ পরিদর্শক (এএসআই) ও মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হাদিউল ইসলাম জানান, গৃহকর্মী মারুফা খুনের ঘটনায় চেয়ারম্যানের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আসামি করে থানায় মামলাটি দায়ের করা হয়। চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।
 নেত্রকোণা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ) মোহাম্মদ ফকরুজ্জামান জুয়েল বলেন, ‘গৃহকর্মীর রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনায় চেয়ারম্যানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। আমরা বিষয়টি নিয়ে তদন্ত করছি। তদন্তের স্বার্থে এর বেশি কিছু বলছি না।’

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেইজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

মাশরাফীর নানা পদক্ষেপে করোনাশূন্য নড়াইল

No comments

মাশরাফীর নানা পদক্ষেপে করোনাশূন্য নড়াইল। প্রাণঘাতী করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব শুরুর থেকে নড়াইল জেলায় বেশ কিছু চোখে পড়ার মতো পদক্ষেপ গ্রহণ করেন নড়াইল-২ আসনের সংসদ সদস্য মাশরাফী বিন মুর্তজা। যার প্রসংশা করেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রীও।
নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্যের ভুমিকা যদিও কম ছিলনা৷ এই দুজনের এমন উদ্যোগের সুফল পেতে শুরু করেছে নড়াইলবাসী।
নড়াইল জেলায় ক’রো’নাভা’ইরাসে আ’ক্রা’ন্ত ১২ জনের সবাইকে ক’রো’না নে’গে’টি’ভ ঘো’ষ’ণা করেছে স্বা’স্থ্য বিভাগ। এর ফ’লে নড়াইল জেলাকে ক’রো’না মু’ক্ত ঘো’ষ’ণা করেছে নড়াইল জেলা প্রশাসক।
গত রবিবার (১০ মে) এবং সোমবার (১১ মে) নড়াইল সদরে তিন চিকিৎ’সকসহ চারজন এবং লোহাগড়ায় তিন চিকিৎ’সকসহ আটজনের দ্বিতীয় দ’ফা’য় ন’মু’না প’রীক্ষায় রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে।
গত সোমবার (১১ মে) সকালে নড়াইলের সিভিল সার্জন ডা. আব্দুল মোমেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, বর্তমানে নড়াইল জেলা করোনা মুক্ত। জেলায় করোনা শনাক্ত হওয়া কোনা রোগী নেই।
এর আগে জেলার লো’হাগ’ড়া পৌর এলাকায় প্রথম করোনায় আক্রান্ত রোগী সৈয়দ সুজন আলীকে ক’রো’না মু’ক্ত ঘো’ষ’ণা করে স্বাস্থ্য বিভাগ।
এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা বলেন, ‘নড়াইলে বর্তমানে ক’রো’না রো’গীর সংখ্যা শূ’ন্য। তবে ক’রো’না মু’ক্ত বলা যাবে না।’
উল্লেখ্য, নড়াইল জেলায় করোনা মোকাবেলায় মাশরাফীর উদ্যোগের প্রসংশা করেছেন সকলেই। ক’রো’না মো’কাবে’লায় ডাক্তার ও সাংবাদিকদের মধ্যে পি’পিই বি’তর’ণ করেন মাশরাফী। নড়াইল জেলা হাস’পাতাল, পুলিশ লাইন ও শহরের প্রবেশ পথে স্হাপন করেন জীবাণুনাশক কক্ষ। চালু করেন ভ্রা’ম্যমাণ মেডি’কেল টিম ও টেলিমেডিসিন সেবা। এছাড়াও লকডাউন নিশ্চিত করতে নড়াইলের ৫ হাজারেরো বেশি মানুষকে খা’দ্য ও আ’র্থিক স’হা’য়তা করেন মাশরাফী। তার এসব পদক্ষেপে সহ’যোগি’তা করেছে তার নড়াইল এক্সপ্রেস ফাউন্ডেশন।

>>আপডেট নিউজ পেতে নিচের ফেইসবুক পেজে লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন।

‘মা-মেয়ের দেহব্যবসা’ শিরোনামের ভিডিও ভাইরাল!! বিস্তারিত পড়ুন

No comments

Monday, 11 May 2020

বরগুনায় রাতে সাংবাদিক পরিচয়ে ঘরে ঢুকে আপন ভাইবোন ও মায়ের ছবি তুলে দেহ ব্যবসায়ী শিরোনামে ইউটিউব ও ফেসবুকে ভাইরাল করেছে একটি চক্র। এতে সমাজ থেকেও বিতাড়িত হতে হয়েছে ওই নারী ও তার পরিবারকে। বেঁচে থাকার ইচ্ছা যখন ক্ষীণ হয়ে আসে পরিবারটির পাশে দাঁড়ায় সাংবাদিক সংগঠন ও পুলিশ। গ্রেফতার হয় ওই চক্রের কয়েকজনকে।

মিথ্যা শিরোনামে অপবাদ দিয়ে ভিডিও ভাইরালের পর স্বাভাবিক জীবন, সংসার ও সমাজ থেকে অনেকটা বঞ্চিত হওয়া এ পরিবারের সদস্যরা তুলে ধরেন তাদের করুণ অবস্হার কথা।

ভুক্তভোগী মেয়েটি বলেন, গ্রামের মানুষ আমার বাবাকে ঘৃণা করছেন, আগে আমাদের যে চোখে দেখতে এখন তারা অন্য চোখে দেখছে।

ঘটনার শুরু পাবলিক লাইব্রেরি মাঠ থেকে। লাইব্রেরির পেছনে মায়ের বাসায় এসে কুনজরে পড়েন জামাল ও সুমনের। তাদের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় গত ৬ এপ্রিল সাংবাদিক পরিচয়ে ঘরে ঢোকে ১৪ থেকে ১৫ জনের একটি দল। মারধর, অকথ্য ভাষায় গালাগালির পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করা হয় তাদের। তারপরও তাদের প্রস্তাবে ওই নারী রাজি না হওয়ায় গত ২৪ এপ্রিল জামাল মির তার নিজের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ করে সেই ভিডিও। এছাড়া মা-মেয়ের দেহব্যবসা শিরোনামে তার নিজস্ব নিউজ পোর্টাল ও একাধিক ফেসবুক পেইজে ভাইরাল করে আপন ভাইয়ের সাথে থাকা ভিডিওটি।


মেয়েটির মা বলেন, আমার সন্তানদের নিয়ে তারা এমন একটা ছবি ভাইরালে করেছে যা পৃথিবীতে আমাদের আর মুখ দেখানোর জায়গা নেই।

মেয়েটির ভাই বলেন, প্রথমে আমার কাছে জানতে চায় এ মেয়েটি কে, আমার বোন বলে জানাই। তারপর আমার মাকে মারধর শুরু করে, আর বলে এখানে কি ব্যবসা শুরু করেছেন।

তাদের প্রকাশিত ভিডিও দেখে ও মেয়েটির অভিযোগ পেয়ে স্থানীয় প্রেসক্লাব ও সাংবাদিক সমাজ এগিয়ে আসে। বরগুনা প্রেসক্লাবের সুপারিশে বরগুনা থানায় মামলা নেয়া হয় ওই সাংবাদিক ও সহযোগীদের বিরুদ্ধে।


বরগুনা প্রেসক্লাবের সভাপতি অ্যাডভোকেট সঞ্জিব দাস বলেন, আমি বলেছি আপনারা এসপির কাছে যান, আর কোনো ধরনের সহযোগিতা লাগলে আমরা করব।

বরগুনা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ফেরদৌস খান ইমন বলেন, আমরা যারা মফস্বল সাংবাদিকতা করি, আমি মনে করি, এ বিষয়ে সর্বপ্রথম প্রশিক্ষণ থাকা উচিত। আমরা কোথায় যেতে পারব, কী ধরনের প্রশ্ন করব সেগুলো জানা প্রয়োজন।

শুধু অপসাংবাদিকতা নয়, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কেউ গুজব বা মিথ্যাচার করে কারো ক্ষতির চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধে জেলা পুলিশ ব্যবস্থা নেবে বলে জানান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. শাহজাহান। তিনি বলেন, ভুক্তভোগী পরিবারটি আবেদন করেছে, আর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মামলা হয়ছে। আসামিদের গ্রেফতার করা হয়েছে। মামলা তদন্তধীন রয়েছে।

গত ৬ মে ৭ জনের নাম উল্লেখ ও ৫-৭ জনকে অজ্ঞাত রেখে মামলা করা হলে ওইদিন রাতেই ৪ জনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। গ্রেফতারদের মধ্যে চ্যানেল টুয়েন্টি ফোরের জেলা প্রতিনিধি সুমন সিকদার ও বাংলা নিউজের জেলা প্রতিনিধি জামাল মীর রয়েছেন।
Don't Miss
© all rights reserved.
Made with by Science Tech BD