Responsive Ad Slot

Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts
Showing posts with label অনলাইন আয়. Show all posts

Data Entry দিয়ে Freelancing

No comments

Friday, 6 December 2024

 

কোর্সটি করে যা শিখবেন

  • ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে কাজ শুরু করার জন্য ডাটা এন্ট্রি স্কিল
  • প্রফেশনালভাবে কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং জগতে টাকা উপার্জন করার উপায়
  • কোনো Advance Technology/ IT Skill ছাড়াই ফ্রিল্যান্সিং এর কাজ করার টেকনিক
  • ডাটা এন্ট্রি শিখে কিভাবে কাজ পেতে হবে ও পেমেন্ট নেওয়ার বিস্তারিত

কোর্সটি কাদের জন্য?

  • যারা দ্রুত কোনো স্কিল শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চান
  • যাদের পড়াশোনা বা চাকরির পাশাপাশি আয়ের উৎস প্রয়োজন, কিন্তু সহজ স্কিল শিখতে চান
  • যারা IT স্কিল বা হাই কনফিগারেশন ডিভাইসের অভাবে ফ্রিল্যান্সিং করার মতো স্কিল শিখতে পারছেন না

কোর্স সম্পর্কে

ফ্রিল্যান্সিং এ ক্যারিয়ার শুরু করার জন্য খুব সহজ একটি স্কিল হলো ডাটা এন্ট্রি। এই স্কিলটি শিখতে কোনো IT দক্ষতা বা পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতার প্রয়োজন নেই, তাই আপনি ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চাইলে ডাটা এন্ট্রি হতে পারে আপনার জন্য প্রথম পছন্দ।

ডাটা এন্ট্রি দিয়ে ফ্রিল্যান্সিং কোর্সটিতে কোনো জটিল স্কিল না শিখিয়ে যেভাবে সহজে বাসায় বসে ডাটা এন্ট্রি দিয়ে আপনি ফ্রিল্যান্সিং করতে পারবেন তা শেখানো হয়েছে। এর জন্য আপনার খুব ভালো কোন ডিভাইস বা IT Skill-এর প্রয়োজন নেই। যে কেউ যেনো প্রফেশনালভাবে কাজ শিখে এবং ফ্রিল্যান্সিং করে টাকা উপার্জন শুরু করতে পারে সেটাই এই কোর্সের মূল উদ্দেশ্য। স্টুডেন্ট থাকা অবস্থায় আয় করে স্বাবলম্বী হতে অথবা এক্সট্রা ইনকাম করে পরিবারকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য আপনিও এই কোর্সে ভর্তি হয়ে সহজেই ডাটা এন্ট্রির কাজ শিখে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে ভালো উপার্জন করতে পারবেন।



Robi 10min school – ঘরে বসে Freelancing

No comments

 


পনি কি কখনও আপনার ৯টা থেকে ৫টার কঠিন কর্পোরেট জীবন থেকে কীভাবে বেরিয়ে আসা যায় তা ভেবে দেখেছেন? কেমন হতো যদি,আমাদের অর্থ উপার্জনের উপর আমাদের সম্পূর্ণ স্বাধীনতা থাকত? বিষয়টি ভেবে দেখার কিন্তু এখনই সময়!

প্রচলিত কর্ম-জীবনের বাইরে গিয়ে অন্যরকম কিছু ভাবা অনেকের কাছেই একটু ভয় পাবার মত মনে হতে পারে, সেই কাজটিতে যতই নতুন সম্ভাবনা এবং স্বাধীনতা থাকুক না কেন। কিন্তু আমরা যদি ফ্রিল্যান্সিং নিয়ে আমাদের যত ভুল ধারণা আছে সব কাটিয়ে উঠতে পারতাম তাহলে আমরা নিজেরাই নিজেদের কাজের ব্যবস্থা করে হয়ে উঠতে পারতাম নিজেদের বস! আর এভাবেই আমরা আমাদের ইচ্ছেমতো কাজ করার সুযোগ পেতাম এবং আমাদের জীবন হয়ে উঠতো আরও সহজ।


আর ঠিক এই জায়গায়ই ফ্রিল্যান্সিং আমাদের জন্য একটা দারুণ সুযোগ নিয়ে আসে। ফ্রিল্যান্সিং এর মাধ্যমে নিজের কর্মসংস্থান তৈরির সুবিধা, বিভিন্ন প্রজেক্টে কাজ করার এবং প্রতিবার নতুন কিছু শেখার সুযোগ আপনি পাবেন। ফ্রিল্যান্সিং মানুষকে যেমন আর্থিক দিক দিয়ে সাবলম্বী করে ঠিক তেমনি নিজের সুবিধামতো সময়ে কাজ করার সুযোগ দেয় এবং সেই সাথে দেয় অনেক বেশি সন্তুষ্টি। ফ্রিল্যান্সিং-এর সবচেয়ে বড় সুবিধা হচ্ছে এটি যেকোনো জায়গা থেকে, যেকোনো সময় নিজের সুবিধামতো করা সম্ভব। কিন্তু কীভাবে শুরু করবেন ফ্রিল্যান্সিং?

এই সব বিষয় মাথায় রেখে ফ্রিল্যান্সিং এর খুঁটিনাটি শেখাতে আমরা নিয়ে এসেছি “ঘরে বসে ফ্রিল্যান্সিং” কোর্সটি। এই কোর্সটি অনেক বেশি সহজ এবং কোর্সটিতে থাকছে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করার জন্য প্রয়োজনীয় সকল বিষয়ের সম্পূর্ণ গাইডলাইন। স্কিল বিল্ডিং থেকে শুরু করে ফাইবার এবং আপওয়ার্ক এর মতো কিছু ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস-এ কীভাবে নিজেকে প্রমোট করতে হয়, সবকিছুর গাইডলাইন-ই পেয়ে যাবেন কোর্সটিতে। আপনার কোর্স ইন্সট্রাক্টর জয়িতা ব্যানার্জি, যিনি TalkStory এর CEO এবং আপওয়ার্ক -এর একজন অত্যন্ত সফল ফ্রিল্যান্সার, তিনি আপনার দক্ষ ফ্রিল্যান্সার হওয়ার এই যাত্রায় আপনার পাশে থেকে আপনাকে গাইড করবেন।


কোর্সটি কাদের জন্য?

  • যারা পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের হাত খরচ চালানোর জন্য উপার্জন করতে চায়।
  • যারা আর্থিক দিক দিয়ে পরনির্ভরশীলতা দূর করতে ঘরে বসে আয় করতে চায়।
  • একজন সার্ভিস হোল্ডার যিনি তার কাজের পরে অবশিষ্ট সময়কে কাজে লাগিয়ে অর্থ উপার্জন করতে চায়।
  • যারা খুব কম খরচেই ফ্রিল্যান্সিং শিখতে চায়।
  • যারা ফ্রিল্যান্সিং-এর বেসিক বিষয়গুলি, কীভাবে প্রোফাইল এবং পোর্টফোলিও তৈরি করতে হয় এবং কীভাবে ফ্রিল্যান্সার হিসেবে আয় শুরু করা যায় তা শিখতে চায়।

কোর্সটি থেকে আপনি কী কী শিখবেন?

  • ফ্রিল্যান্সার হিসেবে কীভাবে ক্যারিয়ার শুরু করবেন।
  • কীভাবে নিজের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্র্যাকটিস করা প্রয়োজন।
  • ফ্রিল্যান্সিং এর বেসিকস।
  • কীভাবে ডিজিটাল মার্কেটিং এবং অ্যাডভার্টাইসমেন্ট করতে হয়।
  • কীভাবে একটি ফ্রিল্যান্সার পোর্টফোলিও তৈরি করতে হয়। 
  • ক্লায়েন্ট কে হ্যান্ডেল করা এবং মার্কেটপ্লেসে গ্রাহকদের সাথে ডিল করার উপায়। ।

এই কোর্সের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

  • কোর্সটি সম্পূর্ণ বাংলা ভাষায় এবং একদম বিগিনারদের জন্য খুবই উপকারী।
  • ৭৮টি ভিডিও- এর সাথে ৭৩টি কুইজ এবং ৮টি চিট শীট।
  • কোর্সটি আপনাকে শুধু প্রোফাইল তৈরিতেই সাহায্য করবে না বরং কীভাবে উপার্জন শুরু করতে হবে সে সম্পর্কে সঠিক গাইডলাইন- ও দিবে।

কোর্স কন্টেন্ট

  • Introduction
  • সহজ স্কিল – ০১
  • সহজ স্কিল – ০২
  • সহজ স্কিল – ০৩
  • সহজ স্কিল – ০৪
  • ইন্টারোমিডিয়েট স্কিল – ০১
  • ইন্টারোমিডিয়েট স্কিল – ০২
  • মার্কেটপ্লেস গাইডলাইন – ০১

বিগ ব্যাং, ব্ল্যাকহােল এবং মহাবিশ্বের বিবর্তন-০৩

No comments

Tuesday, 3 December 2024

সময় পার হবার সাথে সাথে গ্যালাক্সিতে উপস্থিত হাইড্রোজেন ও হিলিয়াম গ্যাস মহাকর্ষের টানে গুটিয়ে গিয়ে ছােট ছােট আলাদা মেঘ গঠন করে। এই মেঘ সঙ্কুচিত হলে এর মধ্যে থাকা পরমাণু একে অপরের সাথে সংঘর্ষ করে করে গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়িয়ে দেয়। একসময় এর তাপমাত্রা বেড়ে গিয়ে এতে নিউক্লিয়ার ফিউশন (সংযােজন) বিক্রিয়া শুরু হয়। এই ফিউশনের ফলে হাইড্রোজেন হিলিয়ামে পরিণত হয়। নিয়ন্ত্রিত উপায়ে বিস্ফোরিত একটি হাইড্রোজেন বােমার মতাে এই বিক্রিয়ায় নিঃসৃত তাপের কারণেই একটি নক্ষত্র উজ্জ্বল হয়। এই বাড়তি তাপ গ্যাসের চাপও (বাইরের দিকে বাড়িয়ে তােলে। একসময় এই চাপ মহাকর্ষীয় টানের (যা কাজ করে ভেতরের দিকে, ঘটাতে চায় সঙ্কোচন) সাথে সেয়ানে সেয়ানে লড়তে পারে। এর ফলে গ্যাসের সঙ্কোচন বন্ধ হয়। এভাবেই এই মেঘ। আমাদের সূর্যের মতাে নক্ষত্রে পরিণত হয়। এরা হাইড্রোজেন গ্যাস জ্বালিয়ে হিলিয়ামে রূপান্তরিত করে, বিকিরণ করে তাপ ও আলাে । এর উদাহরণ অনেকটা বেলুনের মতাে-ভেতরে থাকা বাতাসের বাইরের দিকের প্রসারণ চাপ এবং বেলুনের রাবারের নিজস্ব টান (যা বেলুনকে ছােট করে ফেলতে চায়) একে অপরকে স্থির রাখে।

উত্তপ্ত গ্যাসের মেঘ একবার নক্ষত্র হয়ে গেলে তা বহু দিন ধরে স্থিতিশীল থাকে। এ অবস্থায় নিউক্লিয়ার বিক্রিয়ার তাপ ও মহাকর্ষীয় টান একে অপরকে ধরে রাখে। কিন্তু একসময় নক্ষত্রের হাইড্রোজেন ও অন্যান্য নিউক্লিয়ার জ্বালানি ফুরিয়ে যায়। মজার ব্যাপার হলাে, শুরুতে একটি নক্ষত্রের যত বেশি পরিমাণ ভর থাকে, এটি তত তাড়াতাড়ি জ্বালানি ফুরিয়ে ফেলে। এর কারণ হচ্ছে, একটি নক্ষত্রের যত বেশি ভর থাকে এর মহাকর্ষীয় টানের সাথে ভারসাম্যে থাকতে একে তত বেশি উত্তপ্ত হতে হয় । আর নক্ষত্রটি যত বেশি উত্তপ্ত হবে তত দ্রুত গতিতে এর মধ্যে নিউক্লিয়ার বিক্রিয়া হবে এবং তত দ্রুত এর জ্বালানি শেষ হবে। আমাদের সূর্যের কাছে যে জ্বালানি আছে তা দিয়ে এটি সম্ভবত আরও প্রায় পাঁচ বিলিয়ন (পাঁচশ কোটি) বছর চলতে পারবে । কিন্তু আরও বেশি ভরের নক্ষত্ররা একশ মিলিয়ন (দশ কোটি) বছরের মধ্যেও জ্বালানি ফুরিয়ে ফেলতে পারে। এই সময়টি আমাদের মহাবিশ্বের বয়সের তুলনায় অনেক ছােট্ট । | জ্বালানি শেষ হয়ে গেলে নক্ষত্রটি আবার ঠাণ্ডা হতে শুরু করে । মহাকর্ষ। আবার বিজয়ী হয়। শুরু হয় সঙ্কোচন। এর ফলে পরমাণুরা একে অপরের সাথে জড়িয়ে যায়। এর ফলে নক্ষত্রটি আবার উত্তপ্ত হতে থাকে । উত্তাপ আরও বাড়লে এবার এতে হিলিয়াম থেকে আরও ভারী মৌল যেমন কার্বন বা অক্সিজেন উৎপন্ন হবে। এরপর কী হবে তা পুরােপুরি স্পষ্ট নয়। কিন্তু খুব সম্ভব, এর কেন্দ্রীয় অঞ্চল গুটিয়ে গিয়ে অতি ঘন অবস্থা যেমন ব্ল্যাকহােল বা কৃষ্ণ গহ্বর তৈরি করবে। ব্ল্যাকহােল শব্দটা নতুন।

আমেরিকান বিজ্ঞানী জন হুইলার ১৯৬৯ সালে শব্দটি তৈরি করেন। এর মাধ্যমে তিনি অন্তত দুই শ বছর আগের একটি ধারণার চিত্র তুলে ধরেন। এটা সেই সময়ের কথা যখন আলাে সম্পর্কে দুটো তত্ত্ব ছিল। একটি মত ছিল নিউটনের পছন্দনীয়। এই মত অনুসারে, আলাে কণা দিয়ে তৈরি ।। আরেকটি মতের বক্তব্য ছিল, আলাে তৈরি তরঙ্গ দিয়ে। এখন আমরা জানি, দুটো তত্ত্বই সঠিক। নবম অধ্যায়ে আমরা দেখব, কোয়ান্টাম মেকানিক্সের কণা-তরঙ্গের দ্বৈততায় (দ্বিমুখী আচরণ) আলােকে কণা ও তরঙ্গ দুই-ই মনে করা যায়। কণা ও তরঙ্গের ধারণাগুলাে আমরাই বানিয়েছি, এমন না যে। প্রকৃতির সব ঘটনা এর কোনাে একটির মতাে হতেই হবে। | আলােকে তরঙ্গ ধরে নিলে এটি মহাকর্ষের প্রভাবে কীভাবে কাজ করবে তা বােঝা যাচ্ছিল না। কিন্তু আলােকে যদি আমরা কণায় তৈরি মনে করি, তাহলে এই কণারা কামানের গােলা, রকেট বা গ্রহদের মতােই মহাকর্ষ দ্বারা আকৃষ্ট হবে বলে আশা করা যায়। যেমন একটি কামানের গােলাকে পৃথিবীর বা কোনাে নক্ষত্রের পৃষ্ঠ থেকে ওপরে ছুড়লে (নিচের ছবিতে দেখুন) একসময় এটি থেমে যাবে। এরপর এটি আবার নিচে নামতে থাকবে। তবে একে একটি নির্দিষ্ট বেগের চেয়ে জোরে ছুড়ে মারলে ভিন্ন | কিছু ঘটবে (এটি আর ফিরে আসবে না)। এই নূ্যনতম বেগকে বলে মুক্তি বেগ । কোনাে নক্ষত্রের মুক্তি বেগ নির্ভর করে এর মহাকর্ষী টানের ওপর । ভর বেশি হলে মুক্তি বেগের মানও হয় বেশি। একসময় মানুষ ভাবত আলাের গতি হলাে অসীম। এর ফলে মহাকর্ষ একে কিছুতেই থামাতে পারবে না। কিন্তু রােমা সাহেব আলাের নির্দিষ্ট গতির কথা আবিষ্কার করলে বােঝা গেল, এর ওপর মহাকর্ষের প্রভাব থাকতেও পারে। নক্ষত্রের ভর যথেষ্ট বেশি হলে আলাের বেগও হবে এর মুক্তি বেগের চেয়ে কম । ফলে নক্ষত্র থেকে বের হওয়া যেকোনাে আলাে আবার এতেই ফিরে আসবে।

এই অনুমানের ওপর ভিত্তি করে ক্যামব্রিজের শিক্ষক জন মিচেল ১৭৮৩ সালে একটি গবেষণাপত্র প্রকাশ করেন। এটি লন্ডনের ফিলােসফিক্যাল ট্রানজেকশন অব দি রয়েল সােসাইটি জার্নালে প্রকাশিত হয়। এতে তিনি বলেন যে একটি নক্ষত্র যথেষ্ট আঁটসাঁট (আকারে ছােট) ও বেশি ভরবিশিষ্ট হলে এর শক্তিশালী মহাকর্ষের কারণে এর ভেতর থেকে আলাে বের হয়ে আসতে পারবে না । এর পৃষ্ঠ থেকে বের হওয়া যেকোনাে আলাে বেশি দূর যাবার আগেই এটার মহাকর্ষ তাকে টেনে ভেতরে নিয়ে আসবে। এ ধরনের বস্তুদেরকে এখন আমরা ব্ল্যাকহােল বা কৃষ্ণগহ্বর বলি, কারণ এরা আসলেই তাই: মহাশূন্যের কালাে শূন্যতা ।

Robi 10 MS Web Design Full Course

No comments

 


Robi 10 min School  Webdesign full course .A complete guideline of website designing through 46 Web design tutorial, quiz, notes and many more.

Robi 10 min School Webdesign full course Overview

কোর্সটি কাদের জন্য?

  • > বিগিনারস, যারা ওয়েব ডিজাইনিং-এর স্কিলটি অর্জন করতে চায়।
  • > যারা নিজের ওয়েবসাইট নিজেই ডিজাইন করতে চায়।
  • > যারা ওয়েব ডিজাইনিং শিখে ফ্রিল্যান্সিং শুরু করতে চায়।

কোর্সটি থেকে আপনি কী কী শিখবেন?

  • > ওয়েব ডিজাইন-এর দুটি গুরুত্বপূর্ণ ল্যাংগুয়েজ HTML এবং CSS এর বেসিক থেকে সম্পূর্ণ ধারণা।
  • > বিভিন্ন ওয়েবসাইটের লেআউট তৈরির উপায়।
  • > একটি ভালো ইউজার এক্সপেরিয়েন্স-এর জন্য ওয়েবসাইটের প্ল্যানিং থেকে শুরু করে ডিজাইন কোডিং অবধি সবকিছু।
  • > ওয়েবসাইটকে রেসপনসিভ করার উপায়।
  • > ওয়েব হোস্টিং এর প্রক্রিয়া।
  • > ভিজিটারদের ইন্টার‍্যাক্টিভ ওয়েবসাইট-এর অভিজ্ঞতা দেয়ার জন্য যা কিছু জানা প্রয়োজন।
  • > নিজের ওয়েবসাইট তৈরির জন্য ইন্ডাস্ট্রির বেস্ট প্র্যাকটিস জানা।

এই কোর্সের বৈশিষ্ট্যগুলো কী কী?

  • > এই কোর্স-এ রয়েছে ওয়েবসাইট ডিজাইনিং-এর শুরু থেকে অনলাইনে হোস্টিং অবধি সবকিছু।
  • > কোর্সটি একদম বিগিনারদের জন্য অনেক সহজ টিউটরিয়ালের মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।
  • > কোর্সটিতে বেশ কিছু মাইক্রো প্রজেক্ট এসাইনমেন্ট রয়েছে যা শিক্ষার্থীদের ওয়েব ডিজাইনিং-এর দক্ষতা বৃদ্ধি করবে।
  • > কোর্সের শেষে শিক্ষার্থীরা একটি চিট-শিট পাবে যাতে রয়েছে বিভিন্ন শর্টকাট, টেকনিক এবং কোডস যা তাদের ওয়েব ডিজাইনিং-এর জন্য প্রয়োজনীয়। 

কোর্স কন্টেন্ট

কম্পিউটার অপারেটর

No comments

Thursday, 17 November 2022

 


কম্পিউটার অপারেটর

আমিন মোহাম্মদ গ্রুপ




চাকরির দায়িত্বসমূহ
  • ইংরেজি ও বাংলায় টাইপিং (বিজয়)।
  • এক্সেল শীটে ডেটা এন্ট্রি এবং ডেটা গণনা করা।
  • বিভিন্ন প্রতিবেদন প্রস্তুত করা।
  • ফাইল ম্যানেজমেন্ট।
  • ডেটা এন্ট্রিতে দক্ষতাসহ সমন্বিত ERM সফ্টওয়্যারে কাজ করতে সক্ষম।
  • ADF, ফ্ল্যাট-বেড এবং বুক স্ক্যানার ব্যবহার করে ডকুমেন্ট স্ক্যান করা।
  • ম্যানেজমেন্ট কর্তৃক নির্ধারিত অন্য কোন কাজ।
চাকরির ধরন

ফুল টাইম

শিক্ষাগত যোগ্যতা
  • Bachelor degree in any discipline
  • দক্ষতা: Adobe Photoshop/ Illustrator, Bangla typing, Email Communications, Good communication skills, Microsoft PowerPoint, Microsoft word and excel
অভিজ্ঞতা
  • সর্বনিম্ন ৪ বছর
  • অভিজ্ঞতার ক্ষেত্র:
    Bangla typing, Computer Operator, Sales Admin
  • শিল্পক্ষেত্র:
    রিয়েল এস্টেট, গ্রুপ অব কোম্পানিজ
চাকরির প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ
  • বয়স সর্বনিম্ন ২৫ বছর
  • এমএস ওয়ার্ড, এক্সেল ইত্যাদি ক্ষেত্রে কম্পিউটারে দক্ষতা থাকতে হবে।
  • ইংরেজি এবং বাংলায় টাইপ করার গতি যথাক্রমে সর্বনিম্ন ৬০ এবং সর্বনিম্ন ৪০ শব্দ প্রতি মিনিটে।
  • চাপের মধ্যে কাজ করার এবং চ্যালেঞ্জিং পরিস্থিতি মোকাবেলা করার ক্ষমতা।
কর্মস্থল

বাংলাদেশের যেকোনো স্থানে

বেতন
    আলোচনা সাপেক্ষ
উৎস

বিডিজবস.কম অনলাইন জব পোস্টিং


আবেদনের শেষ তারিখ: ১ ডিসেম্বর ২০২২
প্রকাশ তারিখ
১৫ নভেম্বর ২০২২
কোম্পানির তথ্যাবলী
আমিন মোহাম্মদ গ্রুপঠিকানা: ৭৫২, সাতমসজিদ রোড, ধানমন্ডি সি/এ, ঢাকা - ১২০৫।ওয়েব: www.amgbd.com
😱😱বিশাল মুল্য ছাড়!
১২০+ টা নান্দনিক ও স্মার্ট ইডিটেবল সিভির ফরমেট মাত্র ৭০ টাকায়!!!
https://m.facebook.com/story.php?story_fbid=568941255234615&id=100063562360634&mibextid=Nif5oz

জেনে নিন গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে কিছু অজানা তথ্য

No comments

Wednesday, 15 April 2020


গ্রাফিক ডিজাইনের শেকড় অনেক প্রাচীন হলেও ব্রিটেইন এ ১৯ শতকের শেষের দিকে ফাইন আর্ট থেকে আলাদা হয়ে গ্রাফিক ডিজাইন স্বতন্ত্র ভাবে আত্মপ্রকাশ করে। এরপর প্রিন্ট মিডিয়ার হাত ধরে আক্ষরিক ভাবে গ্রাফিক ডিজাইন এর পথ চলা শুরু আমেরিকান বই ডিজাইনার উইলিয়াম এডিসন ডুইজ্ঞিন্স এর হাত ধরে ১৯২২ সালের গোঁড়ার দিকে।

বাংলাদেশে গ্রাফিক ডিজাইনের যাত্রা মোটামুটি ভাবে বলা যায় ১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে শুরু হয়। তখন আমাদের দেশের বিভিন্ন কোম্পানিগুলো কাজ করাতো প্রিন্ট মিডিয়া বা প্রেসগুলোর কাছ থেকে। বুক কভার ডিজাইন, বিজনেস কার্ড ডিজাইন, ব্যোনার ডিজাইন, বই এর ভেতরে ইলাস্ট্রেশন ডিজাইন,ব্রশিউর, লিফলেট, গ্রিটিং কার্ড, সাইনবোর্ড, বিলবোর্ড, এডভারটাইজিং মেটেরিয়াল ডিজাইন ইত্যাদি করা হতো। আস্তে আস্তে বিভিন্ন কোমপানিতে ইন হাউজ গ্রাফিক্স ডিজাইনার এর চাহিদা দেখা দিতে শুরু করল। তখন ঢাকায় ছিল মাল্টিমিডিয়ার সব চেয়ে বড় ট্রেইনিং ইন্সটিটিউট এরিনা মাল্টিমিডিয়া। আরও ছিল এপটেক,নিউ হরাইজন, হাই টেক ইত্যাদি। সেসময়ে এগুলোতে পড়াশোনার খরচ ও ছিল বেশ ব‍্যায়বহুল। তখন থেকেই ওয়েব ডিজাইনের চাহিদা এখন অব্দি সবচেয়ে ডিমান্ডিং। কিন্তু গ্রাফিক ডিজাইনার’রা গতানুগতিক গ্রাফিক শিখে তেমন সুবিধা করতে পারছিল না; যার মুল প্রতিবন্ধকতা ছিল কাজের তুলনায় অল্প পারিশ্রমিক। এছাড়াও, আমাদের দেশে ছদ্মবেশী বেকারত্ব একটি কারন। যেখানে যার কাজ করার কথা সেখানে সে না করে অন্য পেশার লোক সেই কাজ করছে। খুব ভালো মানের গ্রাফিক্স এর কাজ এর জন্য প্রয়োজনীয় মেশিনের ও ডিভাইসের অভাব, অপ্রতুল কাজের পরিসর, ভালো মানের কাজের পেছনে খরচ না করবার প্রবনতা। আর অরিজিনাল সফটওয়্যার ইউজ না করতে পারার একটা দুর্বলতা তো সবসময় ই আছে। কিন্তু আমাদের এই সকল প্রতিবন্ধকতার জন্য আমরা যতটা পিছিয়ে পড়েছি, বিশ্বের উন্নত দেশগুলো ঠিক তার চেয়ে কয়েক গুন দ্রতু গতিতে এগিয়ে গিয়েছে। এখন আশার কথা হচ্ছে,এই সেক্টরে শুধু দেশের উপর নির্ভর করে নয়, আউটসোরসিং করেও প্রতি মাসে ভালো টাকা আয় করা সম্ভব এবং অলেরেডি বিভিন্ন সেক্টরে গ্রাফিক্সের ব্যাবহারিক প্রয়োজনীয়তা অপরিহার্য হয়ে পড়েছে।

কোথায় নেই গ্রাফিক্সের প্রয়োজন?
ফ্যাশন ডিজাইন, টেক্সটাইল ডিজাইন, ইন্টেরিওর ডিজাইন, এডমেকিং, ব্রান্ডিং, প্রমোশন, লোগো, কার্টুন মেকিং, ইন্টারেক্টিভ মিডিয়া, প্রিন্ট মিডিয়া, ওয়েব মিডিয়া, ফটোগ্রাফি, গেম ডিজাইন,ফাইন আর্ট, ইনফরমেশন মিডিয়া, মোবাইল এপ ডিজাইন ইত্যাদি অসংখ্য সেক্টরে এখন কাজের ছড়াছড়ি।
গ্রাফিক ডিজাইন এর ব্যাবহার বা পরিধি তিন ভাবে বিভক্ত –
প্রিন্টমিডিয়া
মাল্টিমিডিয়া
ওয়েব মিডিয়া
একজন এডভান্স লেভেলের গ্রাফিক ডিজাইনার এর যা যা জানা প্রয়োজন –
ইলাস্ট্রেশন
টিপোগ্রাফি
এনিমেশন
ফটো রিটাচিং ও এডিটিং
ডিজিটাল/ওয়েব পেজ ডিজাইন
প্রিন্টমিডিয়া
টেক্সটাইল ডিজাইন
ইনফরমেশন ডিজাইন
ইন্টার‌্যাকশন ডিজাইন
ফাইন আর্ট/ভিজুয়াল আর্ট
এডভারটাইজিং
আর্ট ডাইরেকশন
গ্রাফিক ডিজাইনের সফটওয়্যার গুলো –
প্রফেশনাল’রা যারা টিভি বা অন্যান্য মিডিয়াতে অনেক হাই এন্ড গ্রাফিক্স এর কাজ, এনিমেশন, মাল্টিমিডিয়ার কাজ করে তারা সাধারণত ম্যাক ইউজ করে। কিন্তু একটি ম্যাক এর দাম বেশিরভাগ মানুষের সাধ্যের বাইরে হওয়াতে ঘরে অথবা অফিসে উইন্ডোজ’ই ব্যেবহার করে।
বাজারে অসংখ্য গ্রাফিক্স এর সফটওয়্যার আছে যেমন –
Dia
gPick
GIMP
Inkscape
Scribus
FontForge
PaintPro
Photoscape
SweetHome
PhotoFiltre
PaintToolSAI
XnView
FotoMix
GoogleSketchUp
PhotoPos Pro
PaintToolSAI
CorelDRAW Graphics Suite
LogoDesign Studio
FreshPaint for Windows ইত্যাদি..

কিন্তু প্রফেশনাল কাজের জন্য বহুল প্রচলিত এবং সবচেয়ে জনপ্রিয় হচ্ছে এডোবি গ্রুপ এর সফটওয়্যার গুলো। এডোবি গ্রুপ এর সফটওয়্যার গুলোর সাথে আমরা কম বেশী সবাই পরিচিত। তারপরও এক নজরে দেখে নেই-
ডিজাইন এবং ফটোগ্রাফির জন্য
Photoshop
Illustrator
InDesign
Adobe Muse
Lightroom
Elements family

ভিডিও এডিটিং এর জন্য
Adobe Premiere
After Effects

ওয়েব ডেভেলপমেন্ট এবং এইচ টি এম এল এর জন্য
Edge Tools & Services
Dreamweaver
Gaming
Mobile apps

জব এর জন্য একজন গ্রাফিক ডিজাইনার এর যে দক্ষতাগুলো থাকা প্রয়োজন –
ক্লায়েন্টের বিজনেস এর ধরন সম্পর্কে জানা, প্রডাক্ট সম্পর্কে সাম্যক ধারনা লাভ, প্রডাক্টের প্রতিযোগী কারা এবং বাজার ও ক্রেতার অবস্থা সম্পর্কে জানা।
ডিজাইন আইডিয়া বের করার জন্যপ্রয়োজনীও মুড বোর্ড, মক-আপস, স্কেচ ইত্যাদি তৈরি করার দক্ষতা।
নতুনত্ব ও অভিনব প্রডাক্ট এর ডিজাইন তৈরি ও বর্তমান মার্কেট সম্পর্কে রিসার্চ করার ক্ষমতা ।
প্রডাক্টের কোন ত্রুটি থাকলেতা ভিজুয়াল ক্রিয়েটিভিটির দক্ষতা দিয়ে সমস্যা সমাধানের মেধা।
প্রডাকশন টেকনিক জানারপাশাপাশি প্রিন্ট মিডিয়া এবং ডিজিটাল মিডিয়া সম্পর্কে গভীর জ্ঞান থাকা জরুরি।
যখন যে মিডিয়া তযেকাজকরবে সেই মিডিয়ার কাজের সাথে জড়িত অন্যান্যদের সাথে স্বচ্ছ যোগাযোগ থাকতে হবে। যেমন ওয়েব এ থাকলে প্রোগ্রামারদের সাথে, কপিরাইটারদের সাথে, ডিজাইনারদের সাথে, প্রিন্টে থাকলে ফটোগ্রাফারদের সাথে, প্রেসেরসাথে ইত্যাদি…।
কাজের সময় বাজেট এবং সময়ের ধরা বাধা নিয়মকে অবশ্যই মাথায় রাখতে হবে।

আরও কিছু প্রয়োজনীয় তথ্য এবং টিপস –
ব্র্যানড এবং ব্র্যান্ডিং সম্পর্কে জানা।
সমসাময়িক স্টাইল, গ্রাফিক্সের ইতিহাস এবং ভিজুয়াল আর্ট সম্পর্কে জানা থাকতে হবে।
ক্রিয়েটিভ ফ্লায়ার, টিপগ্রাফি ইমাজিয়ারি এবং লে আউট সম্পর্কে স্বচ্ছ ধারনা থাকতে হবে।
যে কোন ডিজাইন সফটওয়্যার ব্যেবহার করার স্কিল থাকতে হবে।
খুব ভালো কমিউনিকেশন স্কিল থাকতে হবে।
টিম ওয়ার্ক এর মানসিকতা এবং হার্ড ওয়ার্কিং এর যোগ্যতা থাকতে হবে।
এছাড়াও বেশী বেশী ম্যাগাজিন এর লে আউট গুলো, ফন্ট, কালার ইত্যাদি ফলো করা।
বিভিন্ন এপ্স ইউজ করা ।
বিভিন্ন ওয়েব সাইট ব্রাউজ করা।
এবং মুভি বা চ্যানেল গুলো দেখার সময় বিভিন্ন ফন্ট এর ইউজ, বিভিন্ন দেশের মুভির প্লট দেখে কালার সেন্স সম্পর্কে ধারনা নেয়া ।

গ্রাফিক্স ডিজাইন শিখতে চান?? 

গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের জন্য গুরুত্তপূর্ন টিপস

 

Don't Miss
© all rights reserved.
Made with by Science Tech BD